রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধে নতুন অবস্থা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাল্টাপাল্টি হামলা জোরদার করেছে দুই দেশই। তবে সম্মুখসারিতে লড়াই প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে এবং শান্তি আলোচনা কার্যত হিমঘরে চলে গেছে। এ পরিস্থিতিতে দুই দেশই একে অপরের প্রতিরক্ষা রেখার অনেক গভীরে দীর্ঘপাল্লার হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। ফলে ২০২২ সালে যুদ্ধের প্রথম কয়েক মাসের পর এখন বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
চলতি বছর রাশিয়ার ভেতরে হামলা আরও জোরদার করেছে ইউক্রেন। দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিপুলসংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করে দেশটি রাশিয়ার সামরিক শিল্প ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। রসদ সরবরাহকারী জায়ান্ট ওয়াইল্ডবেরিজের বিভিন্ন ডিপোতেও ইউক্রেন ক্রমবর্ধমানভাবে হামলা চালাচ্ছে। এসব হামলায় কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য পুড়ে গেছে। অন্যদিকে রাশিয়াও হামলা অব্যাহত রেখেছে। ইউক্রেনজুড়ে রুশ হামলায় প্রতিদিনই বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা।
লক্ষ্মী মিত্তালের ইস্পাত কারখানায় রুশ হামলা
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ধনকুবের লক্ষ্মী মিত্তালের মালিকানাধীন আর্সেলর মিত্তালের মাইনিং ও মেটালার্জিক্যাল কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নিজ শহর ক্রিভি রিহে অবস্থিত কমপ্লেক্সটি দেশটির সবচেয়ে বড় সমন্বিত ইস্পাত উৎপাদন কেন্দ্র। ইউক্রেনের চালানো ব্যাপক ড্রোন হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। এতে দুজন নিহত ও ১৪ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন।
এ ছাড়া দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে দুজন, সীমান্তবর্তী সুমি অঞ্চলে একজন এবং পূর্বাঞ্চলীয় দোনেৎস্কে আরও একজন নিহত হয়েছেন।
ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ছে যুদ্ধের আঁচ
রোমানিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির আকাশসীমায় প্রবেশ করা একটি ড্রোনকে স্প্যানিশ এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সের একটি এফ-১৮ যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে। রোমানিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর গালাতি থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার উত্তরে, প্রতিবেশী মলদোভার সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। খবর বিবিসি ও সিএনএনের।
এ জাতীয় আরো খবর..