✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৭, | ১৮:৫৫:২৯ |সান্তোস ও ভাস্কো দা গামার ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল পরিবেশ। মাঠে বল গড়ানোর আগে করমর্দনের সময় নেইমারের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানান ভাস্কোর মিডফিল্ডার থিয়াগো মেনেস। পুরোনো দ্বন্দ্বের কারণে এই ঘটনাটি এখন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে আলোচনার কেন্দ্রে।
নেইমার ও থিয়াগোর বিরোধের সূত্রপাত ২০২০ সালে। ফরাসি লিগ ওয়ানে পিএসজি ও অলিম্পিক লিঁওর ম্যাচে থিয়াগোর কঠিন এক ট্যাকলের শিকার হন নেইমার। সেই ঘটনায় লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল থিয়াগোকে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেইমারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
তবে পরবর্তী সময়ে জানা যায়, ওই ট্যাকলে নেইমারের বাম গোড়ালিতে গুরুতর চোট লেগেছিল। নেইমার নিজে এ নিয়ে প্রকাশ্যে বড় কোনো মন্তব্য না করলেও তার বাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন।
এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে আবারও মুখোমুখি হন দুজন। সেই ম্যাচেও উত্তেজনা ছড়ায় নেইমার ও থিয়াগোর মধ্যে। নেইমারের করা একটি ফাউল নিয়ে শুরু হওয়া উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একপর্যায়ে থিয়াগোর হাত নেইমারের মুখে লাগে। দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।
সেই ম্যাচের বিরতিতে পুরোনো ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে থিয়াগোর সমালোচনা করেছিলেন নেইমার। তিনি বলেছিলেন, থিয়াগো সবসময় নিজেকে কঠিন প্রমাণ করতে চান এবং পিএসজিতে থাকাকালীন একবার তাকে চোট দিয়েছিলেন।
পুরোনো সেই দ্বন্দ্বের রেশ যেন কাটেনি। গতকালের সান্তোস-ভাস্কো ম্যাচের আগে দুই দলের খেলোয়াড়রা করমর্দন করলেও নেইমারের দিকে হাত বাড়াননি থিয়াগো। ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। নেইমারের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজ থেকেও হতাশার ইমোজি দিয়ে বিষয়টির প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
মাঠের বাইরের উত্তেজনার প্রভাব গ্যালারিতেও দেখা যায়। ভাস্কোর সমর্থকেরা ম্যাচের আগে থেকেই নেইমারকে লক্ষ্য করে নানা ধরনের উসকানিমূলক স্লোগান ও কর্মকাণ্ড চালান। ওয়ার্ম-আপের সময় গ্যালারিতে নেইমারের কান্নার মুখের আদলে তৈরি মুখোশও দেখা যায়।