✕
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ :- ২০২৬-০৮-১৭, | ১৮:৪৩:৪০ |চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানার গাড়িচালক মো. সজিব হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় দেন।
দণ্ডিতরা হলেন- হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের নুরুল আমিন, কুমিল্লার দেবিদ্বারের মো. শাহজাহান এবং ফেনী সদর উপজেলার নুরুল আলম টুটুল। তাদের মধ্যে টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই আসামি পলাতক।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বলেন, ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণে গাড়িচালক মো. সজিব হত্যা মামলার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি নুরুল আলম টুটুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে নুরুল আলম টুটুলকে সাজা পরোয়ানামূলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পলাতক নুরুল আমিন ও শাহজাহানের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন মো. সজিব। তিনি নোয়াখালীর চাটখিলের বাসিন্দা ছিলেন। পেশায় গাড়িচালক সজিব বিভিন্ন জেলায় মালামাল পরিবহনের কাজ করতেন। নিখোঁজ হওয়ার ১০ দিন পর ২৭ অক্টোবর পাহাড়তলী থানার টোল রোডের পূর্ব পাশে শিল্প পুলিশের অধিগ্রহণ করা জমির পশ্চিম পাশে সেকান্দরের কৃষিজমি থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের মাধ্যমে মরদেহটি সজিবের বলে শনাক্ত করা হয়।
মামলার নথিতে বলা হয়েছে, সজিবের মাথার পেছনে থেঁতলানো আঘাত, বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে পুলিশ তিনজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ২০২৩ সালের ১১ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর মামলাটির বিচার শুরু হয়।