✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

টিকা নিলেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২১-০৩-২০, | ০৪:১০:০৬ |

অক্সফোর্ড/এস্ট্রাজেনেকার করোনার টিকা নিরাপদ এমন ধারণার প্রতি আস্থা অবিচল রাখতে নিজেই এই টিকা নিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (৫৬)। শুক্রবার তিনি মধ্য লন্ডনের সেইন্ট থমাস হাসপাতালে এই টিকা নেন। এর মধ্য দিয়ে লন্ডনে অক্সফোর্ড/এস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন যে লাখ লাখ মানুষ তাদের দলে যোগ দিলেন তিনি। গত বছর এপ্রিলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সেইন্ট থমাস হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন জনসন। শুক্রবার সেখানেই তার বাম বাহুতে টিকা প্রয়োগ করেন নার্স লিলি। টিকা নেয়ার পর জনসন দু’হাতের বুড়ো আঙ্গুল উঁচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। বলেন, টিকা পুশ করার সময় তিনি আক্ষরিত অর্থেই কিছু টের পাননি। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশবাসীর কাছে শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিলেন যে, এই টিকা নিরাপদ।

যদিও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতাদের মধ্যে এ নিয়ে নানা রকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে। উল্লেখ্য ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি সহ কয়েকটি দেশ এই টিকার ব্যবহার সাময়িক স্থগিত করেছে। তাদের দাবি, এই টিকা নেয়ার পর রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়। তবে এসব নেতার এমন বক্তব্যকে অনেকেই রাজনৈতিক হিসাবনিকাশ বলে এর নিন্দা জানিয়েছেন অনেকে। কোনো কোনো স্থানে নিয়ন্ত্রকরা টিকাকে নিরাপদ ঘোষণা দেয়ার পর আবার শুরু হয়েছে টিকা দেয়া। শুক্রবার রাতে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি বলেছেন, তিনি ওই রাতেই টিকা নেবেন। তিনি ইউরোপের অন্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বিজ্ঞানীদের কথা শোনেন। ইউরোপিয়ান মেডিসিন্স এজেন্সির কথা শোনেন। ঝুঁকিটা হলো করোনার।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..