✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

হামাসের নতুন প্রধান কে এই খলিল আল-হাইয়া

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-২১, | ০০:২৮:০২ |
খলিল আল-হাইয়াকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান নির্বাচন করা হয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ইয়াহিয়া সিনওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হলেন খলিল আল-হাইয়া।

সোমবার (২০ জুলাই) ফিলিস্তিনের ইসলামি রাজনৈতিক ও সশস্ত্র সংগঠন গোষ্ঠীটি জানিয়েছে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নিহত ইয়াহিয়া সিনওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে খলিল আল-হাইয়াকে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান নির্বাচন করা হয়েছে।

গত বছর তেহরানে শীর্ষ হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াহ, গাজায় সিনওয়ার এবং সামরিক কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফ নিহত হওয়ার পর আল-হাইয়ার রাজনৈতিক গুরুত্ব ও প্রভাব বৃদ্ধি পায়।

কে এই খলিল আল হাইয়া?
খলিল আল-হাইয়া (Khalil al-Hayya) হামাসের অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক নেতা এবং সংগঠনটির কূটনৈতিক মুখ হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালে হামাসের শীর্ষ নেতাদের একের পর এক নিহত হওয়ার পর তিনি সংগঠনটির নেতৃত্বে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেন।

১৯৬০ সালে গাজা উপত্যকায় জন্ম নেওয়া আল-হাইয়া ১৯৮৭ সালে হামাস প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি সংগঠনের রাজনৈতিক ব্যুরোতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং হামাসের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করেছেন।

২০২৪ সালে ইয়াহইয়া সিনওয়ার, মোহাম্মদ দেইফ ও ইসমাইল হানিয়ার মৃত্যুর পর যুদ্ধকালীন সময়ে হামাস পরিচালনার জন্য গঠিত পাঁচ সদস্যের নেতৃত্ব পরিষদের অন্যতম সদস্য হন আল-হাইয়া। এরপর থেকেই সংগঠনটির কৌশলগত ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাঁর ভূমিকা আরও বাড়ে।

আল-হাইয়া মূলত কাতারভিত্তিক কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। গাজার বাইরে অবস্থান করায় তিনি ইসরায়েল, মিসর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি বিনিময় সংক্রান্ত আলোচনায় হামাসের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও আলোচনায় তাঁকে হামাসের প্রধান আলোচক হিসেবেও দেখা হয়।

ব্যক্তিগত জীবনেও যুদ্ধের বড় মূল্য দিতে হয়েছে আল-হাইয়াকে। ২০১৪ সালে ইসরায়েলি হামলায় তাঁর জ্যেষ্ঠ ছেলে ওসামা, পুত্রবধূ এবং তিন নাতি-নাতনি নিহত হন। পরে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে কাতারের রাজধানী দোহায় একটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হামলায় তাঁর ছেলে হুমামও নিহত হন।

সূত্র: আল-জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..