✕

সর্বশেষ :
পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শনিবার খোলা থাকবে কিনা, যা জানা গেল শেষ মুহূর্তে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, শুক্রবার বাজবে ঢাকের বাদ্য ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন অধ্যাদেশ জারি পৃথক অভিযানে ভায়াগ্রা ও নিষিদ্ধ ক্রিমসহ কোটি টাকার পণ্য জব্দ উত্তরায় সড়ক ছাড়লেন শ্রমিকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক কৃষি উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে আগ্রহী কানাডা বগুড়ায় শিক্ষককে পিটিয়ে আহত করা সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার আগাম সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক কৃষি খাত লাভজনক করতে সরকারকে প্রণোদনা দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

দুধ নাকি দই, কোনটির পুষ্টিগুণ বেশি?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৬, | ১৮:০৫:৪২ |
দই ও দুধ, দুটি খাবারই শরীরের জন্য উপকারী। কিন্তু সবাই প্রতিদিন দুধ খেতে পারেন না। বিশেষ করে যাদের আইবিএসের সমস্যা রয়েছে, ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স রয়েছে, তারা এ সুপারফুডটি হজম করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে তারা দই খেলে উপকার পাবেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুষ্টিগুণে ভরপুর দই ও দুধ- দুটি খাবারই শরীরের জন্য জরুরি। উভয়েরই নিজস্ব কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে একটি অন্যটির চেয়ে এগিয়ে থাকে। 

ভারতের পুষ্টিবিদ বিশ্বজিৎ দাস বলেন, দুধকে সুষম আহার বা 'সুপারফুড' বলা হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম থাকে। হাড় মজবুত করতে এবং শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধিতে দুধের বিকল্প নেই। প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ খেলে শরীরে শক্তির জোগান বজায় থাকে এবং পেশি শক্তিশালী হয়। তবে যাদের ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বা দুধ হজম করার সমস্যা রয়েছে, তাদের দুধ সহ্য হয় না।

অন্যদিকে দই হল দুধেরই একটি রূপান্তরিত রূপ। দুধকে ফারমেন্টে করা বা গাঁজনের মাধ্যমে দই তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ার ফলে দইয়ে তৈরি হয় প্রচুর পরিমাণে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা প্রোবায়োটিকস। এই প্রোবায়োটিকস অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বাড়াতে এবং পেটের যাবতীয় গন্ডগোল দূর করতে দইয়ের জুড়ি মেলা ভার।

দুধের চেয়ে দই হজম করা বেশি সহজ। গাঁজন প্রক্রিয়ার কারণে দইয়ের প্রোটিন সহজেই ভেঙে যায়, যা পাকস্থলী দ্রুত গ্রহণ করতে পারে। যাদের দুধ খেলে বদহজম বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়, তারা অনায়াসে দই খেতে পারেন। বিশেষ করে গরমকালে শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে দই অমৃতের মত কাজ করে।

পুষ্টিগুণের তুলনা করলে দেখা যায়, দুধের তুলনায় দই থেকে শরীর বেশি সহজে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ করতে পারে। নিয়মিত দই খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। দই ত্বক ও চুলের জন্যেও দারুণ উপকারী। তবে দই খাওয়ার সময় চিনি ছাড়া খাওয়াই ভালো। 

পরিশেষে বলা যায়, দুধ ও দই দুটিই স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। তবে পুষ্টির শোষণ ক্ষমতা, হজমের সুবিধা এবং অন্ত্রের বন্ধু ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতির কারণে দুধের তুলনায় দই একটু বেশিই উপকারী বলে পুষ্টিবিদরা মনে করেন। তাই আপনার হজমশক্তি ও শরীরের চাহিদা অনুযায়ী এই দুটির মধ্যে যে কোনো একটি বা উভয়ই প্রতিদিনের ডায়েটে নির্দ্বিধায় রাখতে পারেন। সূত্র: নিউজ১৮

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..