✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

কেইনকে থামাতে মাঠে নয়, ফ্রিজে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা!

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-১৫, | ১৭:৫৩:৪৫ |

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে উত্তেজনার পারদ চড়ছে আর্জেন্টিনা শিবিরে। মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এবার আলোচনায় এসেছে সমর্থকদের এক অদ্ভুত কুসংস্কার। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে ‘নিষ্ক্রিয়’ রাখতে তার নাম লিখে ফ্রিজে রেখে দিচ্ছেন আর্জেন্টিনার কিছু সমর্থক।

আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্কৃতিতে এমন রীতির প্রচলন নতুন নয়। দেশটির সমর্থকদের কাছে ‘কাবালা’ নামে পরিচিত এসব কুসংস্কার ম্যাচের আগে মানসিক শক্তি ও আত্মবিশ্বাসের উৎস হিসেবে কাজ করে।

১৩ বছর বয়সি আর্জেন্টাইন সমর্থক ইনেস মুত্রি জানিয়েছেন, বন্ধুদের মধ্যে প্রতিপক্ষের সেরা খেলোয়াড় ও গোলরক্ষকের নাম লিখে ফ্রিজে রাখার একটি রীতি রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের নাম কাগজে লিখে ফ্রিজে রেখে দিই। এবার হ্যারি কেইনের নাম রাখব, কারণ তিনি ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় গোলের অস্ত্র।’

শুধু কেন নন, জুড বেলিংহ্যামের নামও ফ্রিজে রাখার কথা জানিয়েছেন ১৮ বছর বয়সি সমর্থক হুয়ান পাবলো কালভো। তার মতে, বেলিংহ্যাম দুর্দান্ত খেলোয়াড় হলেও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাই জয় পাবে।

bellingham
ছবি: রয়টার্স

আর্জেন্টিনার ফুটবলে ‘কাবালা’র ইতিহাস বেশ পুরোনো। ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের কোচ কার্লোস বিলার্দো নানা ধরনের কুসংস্কারের জন্য পরিচিত ছিলেন। খেলোয়াড়দের মাঠে প্রবেশের ক্রম থেকে শুরু করে বিভিন্ন ছোটখাটো বিষয়েও তার নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল।

বর্তমান আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনিও নিজের একটি অভ্যাসের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মাঠে প্রবেশের সময় তিনি সবসময় ডান পা আগে রাখেন এবং এরপর ক্রস চিহ্ন এঁকে মাঠে প্রবেশ করেন।

সমর্থকদের মধ্যে এমন রীতির ধরনও ভিন্ন। কেউ প্রতিপক্ষের নাম উচ্চারণ করেন না, কেউ একই জার্সি পরে ম্যাচ দেখেন, কেউ নির্দিষ্ট জায়গায় বসেন, আবার কেউ ম্যাচের আগে একই খাবার খান।

তবে এসব কুসংস্কারের বাইরে মাঠের পারফরম্যান্সই শেষ কথা। হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যামদের শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠতে পারবে কি না, সেটির উত্তর মিলবে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে।

সূত্র: রয়টার্স

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..