✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে কেপিআই ঘোষণা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৭-০৬, | ১৯:৫৫:৪৫ |
রাজধানীর গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান সরকারি বাসভবনকে ‘বিশেষ শ্রেণির’ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কী পয়েন্ট ইনস্টলেশন-কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এ সিদ্ধান্তের ফলে বাসভবনটি এবং এর আশপাশের এলাকা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় এসেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৭ জুন কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। পরে সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় এবং গত শুক্রবার (৩ জুলাই) গেজেট প্রকাশিত হয়।

বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানের ওই বাসভবন থেকেই রাষ্ট্রীয় ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি কাজে প্রস্তুত থাকলেও তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে অবস্থান করছেন না।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর সমন্বয়ে পৃথক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ডস রেজিমেন্ট (পিজিআর) সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তাদের সঙ্গে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্বে থাকবেন।

নিরাপত্তা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার সীমানাপ্রাচীরের উচ্চতা ন্যূনতম ১২ ফুট হতে হবে এবং এর ওপর অতিরিক্ত তিন ফুট উচ্চতার ‘ওয়াই’ আকৃতির কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করতে হবে। এছাড়া আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি বা সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া কেপিআই স্থাপনার নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে নতুন ভবন নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে—এমন বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি এবং গাছপালা অপসারণের ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী, তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি, তথ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই গুলশানের এই বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..