✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

কুড়িগ্রামে বাড়ছে নদ-নদীর পানি, বন্যার আশঙ্কা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-২৪, | ১২:৫৬:৪৪ |

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা ও দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও এখনও সবকটি নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নদ-নদীর অববাহিকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গত তিন দিন ধরে জেলার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে। গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত সময়ে দুধকুমার নদের পানি ৪ সেন্টিমিটার কমেছে।

অন্যদিকে একই সময়ে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি ২ থেকে ১৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে জেলার তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের হাজারো মানুষ নতুন করে জলাবদ্ধতা ও বন্যা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নদীভাঙনও তীব্র আকার ধারণ করেছে। জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর তীরবর্তী এলাকার ৩৫টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। এছাড়াও নদ নদীর অববাহিকার কিছু পাটক্ষেতে পানি প্রবেশ করেছে। পানি স্থায়ী হলে পাটের ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকার মাওলানা মাহাবুবার রহমান বলেন, কয়েকদিন ধরে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি বাড়ার কারণে ভাঙন শুরু হয়েছে। হুমকিতে থাকা পরিবারগুলো ভিটেবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছেন, আমরাও চিন্তিত কখন যে আমাদেরও ভিটেবাড়ি সরাতে হয়। এলাকাটি কয়েক বছর ধরে অব্যাহতভাবে ভাঙছে, কারও নজর নাই।

সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের বানিয়া পাড়া এলাকার আমিনা বেগম বলেন, নদী বাড়ির কাছে আসছে, তাই ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছি। কোথায় যাবো জানি না, জায়গা জমি বলতে নাই।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী আরও তিন দিন জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে তিস্তা অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ভাঙন ঠেকাতে প্রায় ২৫টি স্থানে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ পেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। অনুমতি না থাকবার কারণে অন্যান্য এলাকাগুলোতে কাজ করা যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..