✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

২৮ বছর পর বিশ্বকাপে নরওয়ের স্মরণীয় প্রত্যাবর্তন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-১৭, | ১০:২৯:২০ |

দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছে নরওয়ে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ৪-১ গোলের বড় জয় তুলে নিয়েছে ইরাক-এর বিপক্ষে। দলের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড, যিনি করেন জোড়া গোল।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে দারুণ ছন্দে থাকা নরওয়ে সেই ধারাবাহিকতাই ধরে রাখে মূল আসরে। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে তারা। প্রথমার্ধে দুই দলের লড়াই ছিল বেশ জমজমাট। বিরতিতে যাওয়ার আগেই দর্শকরা দেখেন তিনটি গোল।

ম্যাচের ২৯ মিনিটে নরওয়েকে এগিয়ে দেন হালান্ড। সতীর্থের বাড়ানো বল স্লাইড করে জালে পাঠিয়ে দীর্ঘদিন পর বিশ্বকাপের মঞ্চে নরওয়ের প্রত্যাবর্তনকে রাঙিয়ে তোলেন তিনি। তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকেনি ইরাক। ৩৯ মিনিটে আয়মেন হুসেইনের দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে দলটি।

সমতার আনন্দও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধের ৪৩ মিনিটে আবারও গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন হালান্ড। তার দ্বিতীয় গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইউরোপের দলটি।

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে সমতায় ফেরার বড় সুযোগ পেয়েছিল ইরাক। তবে নরওয়ের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় সেই চেষ্টা সফল হয়নি। পরে দূরপাল্লার এক শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে হতাশ হতে হয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিকে।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে ইরাক। কয়েকটি আক্রমণ থেকেও তারা কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হয় তাদের।

ম্যাচের ৭৬ মিনিটে অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের কর্নার থেকে শক্তিশালী হেডে নরওয়ের তৃতীয় গোল করেন লিও ওস্টিগার্ড। ওই গোলের পরই কার্যত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় নরওয়ে।

শেষদিকে হালান্ডের সামনে হ্যাটট্রিক পূরণের সুযোগ এলেও ইরাকি গোলরক্ষক জালাল হাসান দারুণ সেভ করে তাকে হতাশ করেন। তবে অতিরিক্ত সময়ে আর রক্ষা হয়নি ইরাকের। প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে আয়মেন হুসেইন ভুল করে নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন। আত্মঘাতী সেই গোলেই ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে নরওয়ে।

১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে এমন দাপুটে জয় নরওয়ের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিল। অন্যদিকে ১৯৮৬ সালের পর বিশ্বকাপে ফেরা ইরাককে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হলো।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..