✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

শক্তিশালী দল নিয়েও বিশ্বকাপে হোঁচট খেতে পারে জার্মানি?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০৮, | ২২:৪৮:৩৮ |

ফুটবল বিশ্বকাপের অন্যতম সফল দল জার্মানি আসন্ন মহাযজ্ঞে খেতাবের অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে মাঠে নামছে। চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের লড়াকু চরিত্র, হারার আগে হাল না ছাড়ার মানসিকতা এবং খুনে মনোভাব বরাবরই প্রতিপক্ষ শিবিরে সমীহ জাগায়। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক গ্যারি লিনেকারের সেই বিখ্যাত উক্তি, 'খেলার শেষে সব সময় জার্মানিই জেতে'। আরও একবার মনে করিয়ে দিচ্ছে অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যে ভরা এই দলটির শক্তিকে। জুলিয়ান নাগেলসম্যানের কোচিংয়ে এই জার্মানি যেকোনো দলের বিশ্বজয়ের স্বপ্নে জল ঢেলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

এবারের জার্মান বাহিনীর মূল শক্তি তাদের আক্রমণাত্মক এবং আকর্ষণীয় মাঝমাঠ। জামাল মুসিয়ালা ও ফ্লোরিয়ান উইর্টজের মতো বিশ্বমানের ফুটবলাররা ফাইনাল থার্ডে প্রতিপক্ষের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। নাগেলসম্যান দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের কৌশলগত বহুমুখিতায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন, যার ফলে ফুটবলাররা প্রয়োজন বুঝে দ্রুত ফর্মেশন পরিবর্তন করতে পারেন। মাঠে নিখুঁত পাসিং ও বলের দখল ধরে রেখে প্রতিপক্ষের রক্ষণে ফাঁক তৈরি করাই তাদের প্রধান কৌশল। দলের অধিকাংশ ফুটবলার বায়ার্ন মিউনিখ এবং বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের হওয়ায় মাঠের বোঝাপড়াও বেশ চমৎকার।

তবে শক্তির পাশাপাশি বেশ কিছু বড় দুর্বলতাও ভাবিয়ে তুলছে চার বারের চ্যাম্পিয়নদের। প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে অধিকাংশ খেলোয়াড় সেন্টার লাইনের কাছে উঠে যাওয়ায় দ্রুতগতির প্রতি-আক্রমণ সামলানোর ক্ষেত্রে বড় সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এছাড়া ব্যক্তিগত দক্ষতার উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং একক চেষ্টায় বাজিমাত করার প্রবণতার কারণে মাঝমাঠ ও রক্ষণের মধ্যে বিপজ্জনক ফাঁক তৈরি হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে সুইৎজারল্যান্ড ও ঘানার মতো দলগুলো জার্মানির এই রক্ষণভাগের দুর্বলতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। একই সাথে, গত কয়েকটি বড় প্রতিযোগিতায় নক আউট পর্বের মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে দ্রুত ছিটকে যাওয়ার যে রোগ জার্মানি দলে দেখা দিয়েছে, তা নাগেলসম্যানের তরুণ ব্রিগেডের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ।

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘ই’-তে আইভোরি কোস্ট, ইকুয়েডর এবং কুরাসাওয়ের মুখোমুখি হবে জার্মানি। গ্রুপ পর্ব থেকে রাউন্ড অফ ৩২ পর্যন্ত তাদের খুব একটা বেগ পেতে হবে না বলে মনে করা হলেও, আসল পরীক্ষা শুরু হবে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে। জার্মানির সাফল্যের চাবিকাঠি মূলত নির্ভর করবে জামাল মুসিয়ালা, ফ্লোরিয়ান উইর্টজ ও জসুয়া কিমিচের ত্রয়ী পারফরম্যান্স এবং গোলরক্ষক ম্যানুয়েল ন্যুয়েরের অভিজ্ঞতার ওপর। শেষ পর্যন্ত মাঠের ক্লান্তি কাটিয়ে এবং গোল খাওয়ার বদ অভ্যাস ত্যাগ করে জার্মানি তাদের পঞ্চম বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..