✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

বিশ্বকাপে এশিয়ার মান রাখতে পারবে কি জাপান-কোরিয়া

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৬-০৮, | ১৩:০৪:১৩ |

বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে এখনো কোনো এশীয় দল ফাইনালে উঠতে পারেনি। তবে প্রতি আসরেই নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়ে আসছে এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ২০২৬ বিশ্বকাপেও মহাদেশটির সবচেয়ে বড় ভরসা হিসেবে দেখা হচ্ছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে।

এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে বিশ্বকাপে সবচেয়ে স্মরণীয় সাফল্য দক্ষিণ কোরিয়ার। ২০০২ সালে নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তারা সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস গড়েছিল। এরপর আর সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি না হলেও ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফুটবল উপহার দিয়ে আসছে দলটি। এবারের আসরেও তাদের কাছ থেকে ভালো কিছুর প্রত্যাশা রয়েছে সমর্থকদের।

অন্যদিকে জাপান এখনো দ্বিতীয় পর্বের গণ্ডি পেরোতে না পারলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দলটির উন্নতি চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা এমন একটি দল গড়ে তুলেছে, যার অধিকাংশ খেলোয়াড় ইউরোপের বিভিন্ন শীর্ষ লিগে নিয়মিত খেলছেন। ফলে এবারের বিশ্বকাপে জাপানকে নিয়ে প্রত্যাশাও তুলনামূলক বেশি।

দক্ষিণ কোরিয়া নিজেদের গ্রুপ পর্ব পেরিয়ে পরের ধাপে ওঠার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। একই লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে জাপানও। দুই দলই মনে করছে, সঠিক দিনে নিজেদের সেরাটা খেলতে পারলে বড় দলগুলোকেও চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব।

জাপানের শিবিরে কিছুটা হতাশা থাকলেও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি দলটির আত্মবিশ্বাসে বড় প্রভাব ফেলেনি। দলটির কোচ বিশ্বাস করেন, বিকল্প খেলোয়াড়দের নিয়েই প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল খেলা সম্ভব।

অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় ভরসা অভিজ্ঞ তারকা সন হিউং-মিন। ইউরোপীয় ফুটবলে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের নেতৃত্বেই বিশ্বকাপে ভালো ফলের আশা করছে দলটি। এটিই তার শেষ বিশ্বকাপ হওয়ায় দলকে স্মরণীয় সাফল্য এনে দেওয়ার বাড়তি প্রেরণাও রয়েছে তার সামনে।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার দলগুলো এখনো স্পষ্টভাবে এগিয়ে থাকলেও, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া আবারও প্রমাণ করতে চায় যে এশিয়ার ফুটবলও বড় আসরে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে সক্ষম।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..