✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

মানুষের দৃষ্টিশক্তির উৎস নিয়ে নতুন গবেষণায় চমক

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৭, | ২৩:১৪:৪৮ |

মানুষের চোখ ও মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা একটি ছোট আলো-সংবেদনশীল অঙ্গের মধ্যে প্রাচীন সম্পর্কের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় ৬০ কোটি বছর আগে এই দুটি একই উৎস থেকে তৈরি হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘কারেন্ট বায়োলজি’-তে। এতে মানুষের মাথার ভেতরে থাকা ‘পিনিয়াল গ্রন্থি’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। মটরদানার মতো ছোট এই অঙ্গটি খুলির গভীরে অবস্থান করে। এটি সরাসরি সূর্যের আলো না পেলেও শরীরকে আলো ও অন্ধকারের পরিবর্তন বুঝতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি মেলাটোনিন নামের হরমোন তৈরি করে, যা মানুষের ঘুম ও জাগরণের চক্র নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

গবেষকেরা ‘ত্রি-কর্নিয়া তত্ত্ব’ নামে নতুন একটি ধারণা তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, মানুষের চোখের রেটিনা ও পিনিয়াল গ্রন্থি একসময় একই আলো-সংবেদনশীল অঙ্গ থেকে তৈরি হয়েছিল।

এ জন্য তারা প্রায় ৫৭ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে সমুদ্রে বসবাস করা ক্ষুদ্র প্রাণীদের নিয়ে গবেষণা করেন। বিজ্ঞানীদের ধারণা, ওই প্রাণীদের মাথার দুই পাশে দুটি চোখ ছিল। পাশাপাশি মাথার ওপরে আরেকটি আলো-সংবেদনশীল অঙ্গ ছিল, যা আলো বুঝতে ও শরীরের অবস্থান নির্ধারণে সাহায্য করত।

গবেষণায় বলা হয়েছে, পরে কিছু প্রাণী মাটির নিচে বসবাস শুরু করলে তাদের পাশের চোখের প্রয়োজন কমে যায়। তখন তারা মূলত ওপরের আলো-সংবেদনশীল অঙ্গের ওপর নির্ভর করতে শুরু করে। সময়ের সঙ্গে সেই অঙ্গের একটি অংশ মাথার দুই পাশে সরে গিয়ে ধীরে ধীরে রেটিনায় রূপ নেয়। আর মূল অংশটি থেকে যায় পিনিয়াল গ্রন্থি হিসেবে।

গবেষকেরা আরও জানান, নিউজিল্যান্ডের টুয়াটারা নামের সরীসৃপজাতীয় প্রাণীর মাথার ওপরে এখনো এমন আলো-সংবেদনশীল অঙ্গ দেখা যায়। এটি চোখের মতো দেখার কাজ না করলেও আলো-অন্ধকার বুঝে শরীরের অভ্যন্তরীণ সময়চক্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..