✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

অনিশ্চয়তায় সালমানের ‘মাতৃভূমি’

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-২৩, | ২১:৩৪:০৮ |

ভারত-চিন সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে নির্মিত বলিউডের একাধিক ছবি এখন সেন্সর ও নীতিগত জটিলতার মুখে পড়েছে। তার মধ্যেই সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্প সালমান খানের বহু প্রতীক্ষিত ছবি ‘মাতৃভূমি: মেই ওয়ার রেস্ট ইন পিস’ (Maatrubhumi: May War Rest in Peace) ঘিরে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। প্রথমে ১৭ এপ্রিল মুক্তির কথা থাকলেও এখনও ছবিটি মুক্তি পায়নি। শোনা যাচ্ছে, এর একাধিক অংশ নতুন করে শুট করতে হচ্ছে।

এই একই সমস্যার মুখে পড়েছে আরও একটি ভারত-চিন সংঘর্ষভিত্তিক সিনেমা ‘দ্য লায়ন অব গালওয়ান’ (The Lion of Galwan)। ছবিটি গালওয়ান উপত্যকার ২০২০ সালের সংঘর্ষে শহিদ বীর চক্র প্রাপ্ত সৈনিক গুরতেজ সিংয়ের জীবনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আপাতত প্রজেক্টটি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।

প্রযোজক ও অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রীয়ের স্বামী হিমালয় দাসানি জানিয়েছেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে গল্প নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘এখন ভারত-চিন সম্পর্ক আগের তুলনায় অনেক ভালো। তাই স্ক্রিপ্ট নতুনভাবে তৈরি করতে হবে। শুটিংয়ের আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্ক্রিপ্ট জমা দিতে হবে। সেখান থেকে আমাদের জানানো হয়েছে, ছবিতে সরাসরি চিন-বিরোধী বিষয় রাখা যাবে না।’

তিনি আরও জানান, ‘যদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনই না মেলে, তাহলে গালওয়ানের গল্প বলার মানে থাকে না। কারণ লড়াইয়ের বাস্তব দিক বা সংঘর্ষের কারণই যদি দেখানো না যায়, তাহলে ছবির উদ্দেশ্যই হারিয়ে যায়। তাই আপাতত প্রকল্পটি স্থগিত।’

অন্যদিকে, সালমান খান গত বছরের শেষ দিকে জন্মদিনে ছবির প্রথম ঝলক প্রকাশ করেছিলেন, যেখানে তাকে লাদাখ সীমান্তে এক সেনা কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যায়। কিন্তু টিজার প্রকাশের পরই চিনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল টাইমস’ অভিযোগ তোলে যে ছবিতে তথ্য বিকৃত করা হয়েছে।

এরপর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই ধরনের সিনেমা নির্মাণের সঙ্গে সরকারের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। এরপর থেকেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

শোনা যাচ্ছে, ছবির কিছু অংশ নতুন করে শুট করা হচ্ছে। নির্মাতারা বিতর্ক এড়াতে ছবিতে সরাসরি চিনের নাম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এর পরিবর্তে প্রতীকী বা পরোক্ষভাবে দেশটির উল্লেখ রাখা হতে পারে, যেমন অতীতে কিছু ছবিতে ‘পড়শি দেশ’ ব্যবহার করা হয়েছিল।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ছবিটি এখনও সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পায়নি। নির্মাতারা এটিকে ওটিটিতে নয়, প্রেক্ষাগৃহেই মুক্তি দিতে চান। তবে সেন্সর ছাড়াও ভারতীয় সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..