✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

লিরিড উল্কাবৃষ্টি: আকাশে ঝলমলে আলোর খেলা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৮, | ১৩:৫৪:৫৭ |

রাতের আকাশে হঠাৎ আগুনের মতো ছুটে চলা আলোর রেখা—এমন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তৈরি করছে লিরিড উল্কাবৃষ্টি। প্রতি বছরের মতো এবারও এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে শেষ পর্যন্ত এই প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, যা আকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।

জানা গেছে, লিরিড উল্কাবৃষ্টি সাধারণত ১৬ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সক্রিয় থাকে। এর সবচেয়ে বেশি উল্কা দেখা যায় ২২ বা ২৩ এপ্রিলের দিকে। এ বছরও ওই সময়েই এর শিখর পর্যায় ছিল। উত্তর গোলার্ধের অনেক জায়গায় মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত সময়টি ছিল সবচেয়ে ভালো দেখার সুযোগ।

স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০ থেকে ১৫টি উল্কা দেখা যায়। তবে কখনো কখনো হঠাৎ বেড়ে গিয়ে এই সংখ্যা ১০০-তেও পৌঁছাতে পারে। এর মধ্যে কিছু উল্কা এত উজ্জ্বল হয় যে, তা শুক্র গ্রহের থেকেও বেশি আলো ছড়ায় (খুব উজ্জ্বল গ্রহ)।

এই উল্কাবৃষ্টির নাম এসেছে ‘লাইরা’ নক্ষত্রমণ্ডল (তারকার একটি গুচ্ছ) থেকে। এর উল্কাগুলো তৈরি হয় ‘কমেট থ্যাচার’ নামের একটি ধূমকেতুর ধ্বংসাবশেষ থেকে। এই ধূমকেতুটি সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে প্রায় ৪১৫ বছর সময় নেয়। চীনের প্রাচীন নথি বলছে, এই উল্কাবৃষ্টি প্রায় ২,৫০০ বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোরের আগে সময়টি উল্কা দেখার জন্য সবচেয়ে ভালো। তখন আকাশে এর উৎসবিন্দু সবচেয়ে উপরে থাকে। শহরের আলো থেকে দূরে, অন্ধকার জায়গায় গেলে বেশি উল্কা দেখা যায়। তবে উজ্জ্বল উল্কা শহর থেকেও দেখা সম্ভব।

এ বছর চাঁদ সরু অবস্থায় আকাশের নিচে থাকায় আলো কম, তাই উল্কা দেখার ক্ষেত্রে তেমন সমস্যা হয়নি। কোনো বিশেষ যন্ত্রের দরকার নেই। শুধু খোলা আকাশের নিচে শুয়ে থেকে কিছু সময় চোখ অন্ধকারে অভ্যস্ত করলেই দেখা মিলবে এই দারুণ দৃশ্যের।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..