✕

সর্বশেষ :
দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা, আইনি ঝুঁকিতে এয়ার ফ্রান্স আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ পাড়ি সাড়ে ৪ লাখ জনের টিকিট নিয়ে সতর্কবার্তা, যাত্রীরা যা করলে দায় নেবে না রেলওয়ে একাদশে ভর্তি নিয়ে নতুন নির্দেশনা তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ স্কুলে ভর্তি: শ্রেণিভেদে কোন বিষয়ে কত নম্বরের পরীক্ষা সোমবার দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়াতে আসছে ৮০টি নতুন লোকোমোটিভ: রেলমন্ত্রী

আমেরিকায় বিপজ্জনক নেশায় জড়াচ্ছে লাখ লাখ কিশোর

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৭, | ০০:৪১:২৩ |

যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরদের মধ্যে দ্রুত বাড়ছে এক ধরনের বিপজ্জনক নেশা। নেশা হিসেবে তারা ঘর বা দোকানে সহজে পাওয়া বিভিন্ন রাসায়নিকের গন্ধ শ্বাসের মাধ্যমে নেয়। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত এক বছরে ৫ লাখের বেশি কিশোর এই ধরনের নেশা করেছে।

চিকিৎসকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ভিডিও ও ট্রেন্ড এই সমস্যা বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ‘নাইট্রাস অক্সাইড’ বা হাসির গ্যাস এখন অনেকের কাছে বিনোদনের অংশ হয়ে উঠেছে। এটি চিকিৎসায় ব্যথা কমাতে ব্যবহৃত হলেও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার অত্যন্ত বিপজ্জনক। ২০২৩ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ এই গ্যাস অপব্যবহার করেছে।

গবেষণাটি ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ৩৩ হাজার ৭০০-এর বেশি কিশোরের তথ্য বিশ্লেষণ করে। এতে দেখা যায়, ২.২ শতাংশ কিশোর গত বছরে এই নেশা করেছে। ০.৭ শতাংশ গত মাসেও ব্যবহার করেছে, আর ০.৩ শতাংশ এতে আসক্ত হয়ে পড়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, ১২–১৩ বছরের কিশোরদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি।

এই নেশায় ব্যবহৃত জিনিসগুলোর মধ্যে আছে আঠা, জুতার পালিশ, পেইন্ট থিনার, স্প্রে, পেট্রোল এবং হাসির গ্যাস। এগুলো সহজে পাওয়া যায় বলে অনেকেই মনে করে নিরাপদ, যা আসলে ভুল ধারণা।

স্বল্পমেয়াদে এতে মাথা ঘোরা, জড়ানো কথা, বমিভাব, ভারসাম্য হারানো বা অজ্ঞান হওয়ার মতো সমস্যা হয়। দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্ক, স্নায়ু, যকৃত, কিডনি ও হৃদযন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি একবার ব্যবহারেই ‘হঠাৎ মৃত্যুর’ ঝুঁকিও আছে, যাকে বিশেষজ্ঞরা ‘সাডেন স্নিফিং ডেথ’ বলেন।

বাচ্চাদের পোশাকে রাসায়নিক গন্ধ, তাদের কাছে খালি ক্যান বা কার্টিজ পাওয়া, মাথাব্যথা বা অকারণে ক্লান্তিবোধ করলে অভিভাবকদের সতর্ক হতে হবে।চিকিৎসকদের পরামর্শ, এসব বিষয়ে সন্তানদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলা জরুরি। কারণ সচেতনতা ও পারিবারিক যোগাযোগই এই ঝুঁকি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। সূত্র : সিএনএন

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..