✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

সৌরজগতের দূরবর্তী বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে মিলল বায়ুমণ্ডল

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১৫, | ১২:১০:০২ |

সৌরজগতের প্রান্তে অবস্থিত এক দূরবর্তী ও বরফাচ্ছন্ন মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে প্রথমবারের মতো পাতলা বায়ুমণ্ডলের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীদের দীর্ঘদিনের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে। কারণ এত ছোট বস্তুর পক্ষে বায়ুমণ্ডল ধরে রাখা সম্ভব নয় বলেই এতদিন মনে করা হতো।

এই বস্তুটি কুইপার বলয়ে অবস্থিত, যা নেপচুন গ্রহের বাইরে হাজারো বরফ ও পাথুরে অবশিষ্টাংশে ভরা একটি অঞ্চল। এসব বস্তু সৌরজগত গঠনের প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগের ধ্বংসাবশেষ হিসেবে বিবেচিত। এর মধ্যেই ‘(৬১২৫৩৩) ২০০২ এক্সভি৯৩’ নামে পরিচিত একটি বস্তুর চারপাশে এই অপ্রত্যাশিত বায়ুমণ্ডল শনাক্ত করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত কেবল তুলনামূলক বড় বস্তু—যেমন প্লুটো—পাতলা বায়ুমণ্ডল ধরে রাখতে পারে বলে জানা ছিল। আর শনি গ্রহের উপগ্রহ টাইটানের মতো বড় জ্যোতিষ্কে ঘন বায়ুমণ্ডল দেখা যায়। কিন্তু এরিস, হাউমেয়া বা মাকেমাকের মতো বড় নেপচুন-পরবর্তী বস্তুর ক্ষেত্রেও বায়ুমণ্ডলের প্রমাণ মেলেনি। তাই এই নতুন আবিষ্কার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

জাপানের ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরির গবেষক ড. কো আরিমাতসুর নেতৃত্বে পরিচালিত এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে নেচার অ্যাস্ট্রোনমি সাময়িকীতে। বিরল এক পর্যবেক্ষণের সুযোগ কাজে লাগিয়েই তারা এই বায়ুমণ্ডল শনাক্ত করেন।

গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কার ছোট মহাজাগতিক বস্তুর চারপাশে কীভাবে বায়ুমণ্ডল গঠিত হয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারে, সে বিষয়ে নতুন ধারণা দেবে। একই সঙ্গে কুইপার বলয়ের বস্তুগুলো সম্পর্কে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও নতুনভাবে ভাবার প্রয়োজন হতে পারে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..