✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

কোরবানি ঘিরে ব্যস্ত কেরানীগঞ্জের খামারিরা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-১০, | ১৮:৪০:২১ |

আসন্ন ঈদুল আজহা সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরণ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কেরানীগঞ্জের খামারিরা। প্রাকৃতিক উপায়ে দেশীয় খাবার খাইয়ে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। তবে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়েছে। এরপরও বাজারমূল্য অনুকূলে থাকলে লাভের আশা করছেন খামারিরা।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় অসংখ্য খামারে এখন চলছে গরু পরিচর্যার ব্যস্ততা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শ্রমিকেরা গরুর খাবার প্রস্তুত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসাসেবার কাজে ব্যস্ত আছেন। সবুজ ঘাস, খড়, ভুসি, খৈল, চিটাগুড়, ভাত ও কচুরিপানাসহ দেশীয় উপায়ে তৈরি খাবার খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর উপজেলায় মোট ১৪ হাজার ২৬৬টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ১১ হাজার ৭১৮টি ষাঁড়, ২৩৭টি বলদ, ৭১২টি গাভীসহ মোট ১২ হাজার ৬৬৭টি গরু। এছাড়া রয়েছে ১৪৭টি মহিষ, এক হাজার ১০৫টি ছাগল, ২৯৫টি ভেড়া ও অন্যান্য ৫২টি পশু।

খামার শ্রমিক আলতাফ বলেন, দেশীয় খাবার দিয়ে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে। পশু চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে গরুর যত্ন নেওয়া হচ্ছে এবং কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে না। বাজারদর ভালো থাকলে এবং ভারতীয় গরু না এলে লাভবান হওয়া যাবে।

আরেক কর্মচারী আজিজ জানান, গরুর খাবার কাটার জন্য একটি মেশিন আনা হয়েছে। ঘাস ছোট ছোট করে কেটে গরুকে খাওয়ানো হয়, এতে গরুগুলো সহজে খাবার খেতে পারে।

মালিভিটা আবরাজ ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মেহের আলী বলেন, দেশীয় গরু প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে বড় করা হচ্ছে। ভারতীয় গরু বাজারে এলে ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার বেগ বলেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন খামার ও প্রান্তিক খামারিরা দেশীয় পদ্ধতিতে পশু পালন করছেন। খামারিরা যাতে স্টেরয়েড, হরমোন বা ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার না করেন, সে জন্য মেডিকেল টিম নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..