✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

৮ বছর পর দক্ষিণ কোরিয়ায় যাচ্ছে উত্তর কোরিয়ার ফুটবল দল

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০৪, | ১৯:৪৭:২২ |

যুদ্ধবিভক্ত দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে চলতি মাসে একটি আঞ্চলিক টুর্নামেন্টে খেলতে উত্তর কোরিয়ার যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার নারী ফুটবল দল।

২০১৮ সালের পর নায়েগোহিয়াং উইমেন্স নারী দলটি এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার সুওন এফসি উইমেনের বিপক্ষে মাঠে নামবে।

সোমবার (৪ মে) আন্তঃকোরীয় বিষয়গুলো দেখভালকারী দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এএফসি দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবল সংস্থাকে অবহিত করেছে, সুওনে দলটির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফুটবল ক্লাবটির এই প্রত্যাশিত সফর নিয়ে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।

উত্তর কোরিয়া সর্বশেষ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একটি টেবিল টেনিস ইভেন্টের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ায় ক্রীড়াবিদ পাঠিয়েছিল। এর মাধ্যমে কূটনৈতিক সম্পৃক্ততার একটি ধারা অব্যাহত ছিল। যার অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল ওই বছরের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত শীতকালীন অলিম্পিকে একটি উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের পাশাপাশি উত্তর কোরিয়ার ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ।

উত্তর কোরিয়া ২০১৪ সালে ইনচনে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে তাদের জাতীয় মহিলা ফুটবল দলকেও পাঠিয়েছিল, যা ছিল দক্ষিণ কোরিয়ায় তাদের মহিলা ফুটবল খেলোয়াড়দের শেষবার অংশগ্রহণ। ২০১৯ সাল থেকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন ওয়াশিংটন ও সিউলের সঙ্গে অর্থপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থগিত রেখেছেন এবং তার জনগণের মধ্যে থেকে দক্ষিণ কোরীয় সংস্কৃতি ও ভাষার প্রভাব নির্মূল করার জন্য একটি অভ্যন্তরীণ অভিযান চালাচ্ছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৫০-৫৩ সালের সংঘাত শান্তি চুক্তির পরিবর্তে একটি যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হওয়ায় এই দুই প্রতিবেশী দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও যুদ্ধরত এবং তাদের মধ্যে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান খুবই বিরল।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..