✕

সর্বশেষ :
বিশ্বে ৮০ কোটি তরুণ কর্মসংস্থানহীন ভবিষ্যতের মুখোমুখি: ইউএনডিপি বয়স ৭৪, তবু ৪২ কিলোমিটার দৌড়ান খবির উদ্দিন এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: ইসি সানাউল্লাহ টঙ্গীর আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট, যোগ দিয়েছে সেনাবাহিনীও চীনের সঙ্গে ঋণ নয়, যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী দিনে ৮ ঘণ্টা এসি চালালে মাসে কত টাকা বিল আসবে? বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি সীমিত করছে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়

ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মধ্যপ্রাচ্যের ১৬ মার্কিন ঘাঁটি

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৫-০২, | ১৮:২৪:২৩ |
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলোর ওপর ইরান ও তার মিত্রদের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উঠে এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে অন্তত ১৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আটটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশে অবস্থিত এসব স্থাপনার মধ্যে কয়েকটি এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে সেগুলো কার্যত ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির বড় অংশজুড়েই এই ঘাঁটিগুলো অবস্থিত বলে উল্লেখ করা হয়।

ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মূল্যায়ন রয়েছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কোথাও পুরো স্থাপনাই ধ্বংস হয়ে বন্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, আবার কোথাও কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় মেরামতের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

স্যাটেলাইট চিত্র ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের হামলার মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত রাডার ব্যবস্থা, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনকৃত যুদ্ধবিমান। এসব সরঞ্জাম অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দ্রুত প্রতিস্থাপন করা কঠিন।

এতে তুলনামূলক কম আঘাতে বড় ধরনের কৌশলগত ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের রাডার ব্যবস্থাগুলোই অঞ্চলটিতে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও সীমিত সম্পদের মধ্যে পড়ে, এ কারণে সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

এদিকে পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত নিয়ন্ত্রক কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত মার্কিন করদাতাদের ব্যয় হয়েছে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার।

পেন্টাগনের প্রাথমিক মূল্যায়নের পর এক কংগ্রেসনাল কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিটের সদর দপ্তর মেরামতেই প্রায় ২০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..