✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

পানামা খালে আকস্মিক বেড়েছে জাহাজ চলাচল

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৯, | ১৮:০১:৩৬ |
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের জেরে পানামা খাল দিয়ে আরো বেশি জাহাজ চলাচল করছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে জাহাজ চলাচলের এই আকস্মিক বৃদ্ধি ঘটেছে।

পানামা খাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায়, অক্টোবর মাস থেকে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযোগকারী এই জলপথ দিয়ে প্রায় ৩০০টি অতিরিক্ত জাহাজ চলাচল করেছে।

পানামা খাল কর্তৃপক্ষের ফিন্যান্স চিফ ভিক্টর ভায়াল বলেন, ‘আশা করা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে।’

ইরানের উপকূলঘেঁষা ঝুঁকিপূর্ণ জলপথ এড়াতে এখন অনেক বাণিজ্যিক জাহাজ অন্য পথ ব্যবহার করছে। এসব জাহাজ এমন পণ্য বহন করছে, যেগুলো ভিন্ন দেশ থেকে কেনা হয়েছে বা অন্য রুটে পাঠানো হয়েছে। এই বিকল্প পথ হিসেবে অনেক জাহাজ ব্যবহার করছে পানামা খাল। তবে এই পথে যাতায়াত করতে গিয়ে খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

জাহাজের আকার ও ধরন অনুযায়ী পানামা খাল পার হতে গড়ে প্রায় ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ ডলার পর্যন্ত খরচ হয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পরিবহন ব্যয় আরো বাড়ছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এই সপ্তাহের শুরুতে জানিয়েছে, কিছু জাহাজ শেষ মুহূর্তে জলপথটি পার হওয়ার জন্য অতিরিক্ত ফি হিসেবে ৪ লাখ ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত পরিশোধ করছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট বলেছেন, তার দপ্তর তেহরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়িয়েছে এবং ইরানের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখা নেটওয়ার্কগুলো ভেঙে ফেলার পদক্ষেপ নিয়েছে।

তিনি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি দপ্তর ‘ইকোনমিক ফিউরি’ অভিযানের মাধ্যমে ইরানের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তিনি জানান, এই পদক্ষেপে ইরানের আন্তর্জাতিক ‘শ্যাডো ব্যাংকিং’ ব্যবস্থা, ক্রিপ্টো লেনদেনের সুযোগ, তেল পরিবহনের ‘শ্যাডো ফ্লিট’ এবং অস্ত্র সংগ্রহের নেটওয়ার্কে আঘাত করা হয়েছে।

এ ছাড়া এই পদক্ষেপগুলো ইরানের আঞ্চলিক মিত্র গোষ্ঠীগুলোর অর্থায়ন কমিয়ে দিয়েছে এবং ইরানের তেল বাণিজ্যকে সহায়তা করা চীনের ছোট স্বাধীন শোধনাগারগুলোকেও প্রভাবিত করেছে।

বেসেন্ট দাবি করেন, এসব পদক্ষেপের ফলে ইরান সরকার যে বিপুল অর্থ আয় করতে পারত, তার বড় অংশ বন্ধ হয়ে গেছে। এর প্রভাবে দেশে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে এবং মুদ্রার মান দ্রুত কমে গেছে।

তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ নীতির অংশ হিসেবে ইরানের বন্দরগুলোতেও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে, যার ফলে দেশটির তেল রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে।

বেসেন্টের মতে, ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপে দ্রুত ধারণক্ষমতার সীমায় পৌঁছে যাচ্ছে। এতে ইরানকে তেল উৎপাদন কমাতে হতে পারে। তিনি বলেন, এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ডলার রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে এবং ইরানের তেল অবকাঠামো দীর্ঘ মেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..