✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

মেকআপ করার প্রয়োজন অনুভব করিনি : ফারিণ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২৭, | ২২:৩১:৪০ |
বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। শুধু অভিনয় দক্ষতা দিয়েই নয়, সাবলীল ব্যক্তিত্ব আর গ্ল্যামার দিয়েও জয় করেছেন অগণিত দর্শকের মন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। তবে সম্প্রতি নিজের মেকআপ ও লুক নিয়ে নেটিজেনদের নানা আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়েছেন এই তারকা। বিষয়টি নিয়ে এবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন ফারিণ।

সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে নিজের সাজগোজ ও ব্যক্তিগত পছন্দ নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। ফারিণ জানান, ছোটবেলা থেকেই মেকআপের প্রতি তার কোনো বাড়তি আকর্ষণ ছিল না। তিনি বলেন, ‘বড় হওয়ার সময় মেকআপ নিয়ে আমার তেমন কোনো মাথাব্যথা ছিল না। বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান থাকলে মাঝে মাঝে মায়ের লিপস্টিক ব্যবহার করতাম।

‘তাছাড়া আমার ড্রেসিং টেবিলে চিরুনি আর একটা পারফিউম ছাড়া আর কিছুই থাকত না। সত্যি বলতে, মেকআপ করার প্রয়োজন আমি কখনোই অনুভব করিনি।’ অভিনয় জগতে আসার পর মেকআপের প্রয়োজনীয়তা বুঝতে শুরু করেন ফারিণ। কাজের খাতিরে বিভিন্ন সময় বৈচিত্র্যময় সাজে তাকে দেখা গেলেও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অতি সাধারণ থাকতেই ভালোবাসেন।



এ প্রসঙ্গে ফারিণ বলেন, ‘বিনোদন জগতে আসার পর আমি ধীরে ধীরে বুঝতে শুরু করি মেকআপ কী বা এটি কীভাবে কাজ করে। আমি সব ধরনের লুকই ট্রাই করেছি। কখনো একদম সাধারণ, আবার কখনো বেশ জমকালো। আমাকে ভুল বুঝবেন না, নতুন নতুন সাজগোজ করতে আমি ভালোবাসি। তবে আমি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি যখন আমার মুখে মেকআপ থাকে না বা খুব সামান্য থাকে। বাইরে যাওয়া বা কোথাও ঘুরতে যাওয়ার সময় আমি মেকআপ ছাড়াই থাকতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করি।’

ফারিণের কথায়, ‘কেমন যেন কর্মক্ষেত্রে গেলে আমার এই অনুভূতিটা বদলে যায়। সেখানে নিখুঁত দেখার একটা প্রবণতা কাজ করে, নিজেকে নির্দিষ্ট একটি ধরনে উপস্থাপনের তাগিদ অনুভব করি। এবার আমি সেটা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে আমি সেভাবেই নিজেকে তুলে ধরব যেভাবে থাকলে আমি আত্মবিশ্বাসী বোধ করি। যা আমার ব্যক্তিত্বের সাথে যায় না, এমন কিছু আমি জোর করে চাপিয়ে নেব না। আর আমি এখানে শুধু মেকআপের কথাই বোঝাচ্ছি না।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..