✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

আইনি জটিলতা প্রসঙ্গে কী বললেন রাজপাল যাদব?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২২, | ১৮:২৫:৪১ |
‘চেক বাউন্স’ মামলায় জেলেও রাত কাটাতে হয়েছে তাঁকে। কিছু দিন আগে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল জানালেন, শুধু কয়েক কোটি টাকার বিষয় হলে সমস্যাটা এতদূর গড়াত না।

গত কয়েক মাসে অভিনেতা রাজপাল যাদবকে ঘিরে বিপুল বিতর্ক হয়ে গিয়েছে। ‘চেক বাউন্স’ মামলায় জেলেও রাত কাটাতে হয়েছে তাঁকে। কিছু দিন আগে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল জানালেন, শুধু কয়েক কোটি টাকার বিষয় হলে সমস্যাটা এতদূর গড়াত না।

অভিনেতা বললেন, “অনেকেই ভাবছেন এত বছর অভিনয় করে মাত্র ৫ কোটি টাকা শোধ করতে পারিনি! যদি এই টাকার বিষয় গত তা হলে ২০১২-তেই শোধ করে দিতে পারতাম। কিন্তু এই ৫ কোটি টাকার ঋণ বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১৭-২২ কোটিতে।” নেপথ্যে রয়েছে রাজপালের প্রযোজিত ছবির বক্সঅফিসে ব্যর্থতা।



‘অতা পতা লাপতা’ নামের যে ছবিটি তৈরি করেছিলেন রাজপাল, সেই ছবি তৈরির খরচ দাঁড়ায় প্রায় ২২ কোটি টাকা। এ দিকে সেই ছবি তেমন ব্যবসা করতে না পারায় ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। যে কারণে, আরও আর্থিক বিপর্যয়ে পড়েন রাজপাল। এই প্রেক্ষিতে প্রতারণার প্রসঙ্গ উঠলে রাজপাল বলেন, “ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ১০০টির মধ্যে ২০টি ছবি সফল হয়, বাকি ৮০টি ব্যর্থ হয়। একটি ছবি ব্যর্থ হলেই তা প্রতারণা নয়।”

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তিনি দিল্লির একটি সংস্থা থেকে ৫ কোটি ঋণ নেন রাজপাল। পরে ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ২০১৮ সালে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়, যা ২০১৯ সালে ‘সেশনস কোর্ট’ বহাল রাখে। পরবর্তীকালে সুদ-সহ ওই অর্থ প্রায় ৯ কোটিতে পৌঁছোয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি আত্মসমর্পণ করেন এবং তাঁকে তিহাড় জেলে পাঠানো হয়। তবে এই পরিস্থিতিতেও দেশের বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা রেখে রাজপাল জানিয়েছেন, এই লড়াই তিনি শুরু করেননি, কিন্তু এর শেষ তিনিই করবেন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..