✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

মসজিদে নববীতে ৭০ বছর ধরে চা-কফি পরিবেশন করছে যে পরিবার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-২১, | ১৩:১৮:৪৬ |
মদিনার মসজিদে নববীর জিয়ারতকারীদের কাছে এক পরম পরিচিত নাম মোহাম্মদ আলী আবদুর রহমান আল সিন্দি। গত ৭ দশক ধরে তার পরিবার মসজিদে নববীতে আসা মুসল্লিদের চা, কফি আর খাবার পরিবেশন করে আসছে। বংশপরম্পরায় চলে আসা এই আতিথেয়তার ঐতিহ্য এখন তৃতীয় প্রজন্মের হাতে।

মূলত পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশ থেকে আসা এই পরিবারটি গত ৭০ বছর ধরে মদিনায় আগত আল্লাহর মেহমানদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এক সময় দাদা যে মহৎ কাজ শুরু করেছিলেন তা তার ছেলে হয়ে এখন নাতির হাত ধরে চলছে।

পুরো বছর জুড়েই এই পরিবারটির সেবামূলক কার্যক্রম সচল থাকে। সপ্তাহের প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার তারা ইফতারের আয়োজন করেন। এ ছাড়াও প্রতি আরবি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ অর্থাৎ আইয়ামে বিজের দিনগুলোতেও তারা মুসল্লিদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন। আর পবিত্র রমজান মাসে তো পুরো মাসব্যাপী চলে তাদের বিশেষ দস্তরখান।

বর্তমানে এই ঐতিহ্যের হাল ধরেছেন মোহাম্মদ আলী আবদুর রহমান আল সিন্দি। মদিনায় জন্ম নেওয়া মোহাম্মদ আলী জানান, তার দাদা সর্বপ্রথম মদিনার আল আইনিয়া এলাকায় একটি ছোট খাবারের স্টল বা স্থানীয় ভাষায় সাফরা চালু করেন। পরবর্তীতে মসজিদে নববীর সংস্কার ও সম্প্রসারণের সময় তার বাবা সেই কার্যক্রমটি বর্তমান স্থানে সরিয়ে নিয়ে আসেন। ২০০৭ সাল থেকে মোহাম্মদ আলী নিজেই এই পারিবারিক ঐতিহ্যের দেখাশোনা করছেন।

নিজেদের এই দীর্ঘ পথচলা নিয়ে মোহাম্মদ আলী বলেন, মদিনা এক বরকতময় ভূমি। তিন প্রজন্ম ধরে এই পুণ্যভূমিতে থাকতে পারা এবং নবীজির মেহমানদের সেবা করার সুযোগ পাওয়া আমাদের জন্য পরম সৌভাগ্যের বিষয়। স্থানীয় একটি প্রবাদ আছে যে, মসজিদের কাছের ঘরটিই সবচেয়ে সেরা। আমরাও মনে করি আল্লাহর ঘরের পাশে থেকে এই সেবা করার চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কিছু হতে পারে না।

মোহাম্মদ আলীর সন্তানরাও মদিনার স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা শেষ করে বড় হয়েছে। ফলে পাকিস্তান থেকে আসা এই পরিবারটি এখন মদিনার অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক কিছু বদলে গেলেও মসজিদে নববীর আঙিনায় এই সিন্ধি পরিবারের আন্তরিক আতিথেয়তা আজও অমলিন।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..