✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

রাসুল (সা.) যেভাবে চুলের যত্ন নিতেন

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৬, | ১৮:৩০:১৪ |
চুল মানুষের ব্যক্তিত্বের আয়না। মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা হলো সুন্দর চুল থাকা। ইসলাম মানুষের এই স্বভাবজাত চাহিদাকে সম্মান দিয়ে চুল রাখা এবং কাটার ক্ষেত্রে অত্যন্ত রুচিশীল মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছে। স্বয়ং বিশ্বনবি হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিয়মিত চুলের যত্ন নিতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতেন।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সাধারণত মাথায় চুল রাখতেন। তবে বিশেষ বিশেষ সময়ে (যেমন হজের সময়) তিনি মাথা মুণ্ডনও করেছেন। শিশুদের ক্ষেত্রেও তিনি চুল কাটার অনুমতি দিয়েছেন। একবার তিনি হযরত জাফর (রা.)-এর ছেলের মাথা নিজ হাতে মুণ্ডন করে দিয়েছিলেন (আবু দাউদ)। সুতরাং ইসলামে চুল রাখা এবং নিয়ম অনুযায়ী মুণ্ডন করা—উভয়টিই অনুমোদিত।

চুল রাখা মানেই তা অবিন্যস্তভাবে ফেলে রাখা নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যার মাথায় চুল আছে, সে যেন তার যত্ন নেয়। (আবু দাউদ)। চুলের যত্নে চিরুনি ব্যবহার করার ব্যাপারেও রয়েছে সুন্নাহসম্মত ভারসাম্য। তিনি সব সময় চিরুনি নিয়ে ব্যস্ত থাকাকে অপছন্দ করতেন, বরং বিরতি দিয়ে চিরুনি করার পরামর্শ দিতেন। তবে কারও চুল যদি খুব বেশি বড় হয়, তবে তাকে নিয়মিত চিরুনি করার নির্দেশ দিতেন, যেমনটি তিনি হযরত আবু কাতাদাহ (রা.)-কে দিয়েছিলেন।

মাথায় তেল ব্যবহার করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ (সা.) মাথায় প্রচুর তেল ব্যবহার করতেন। (শামায়েলে তিরমিজি)। এমনকি উম্মুল মুমিনীনগণও পরম মমতায় তাঁর মাথায় চিরুনি করে দিতেন। তাই চুলে তেল দেওয়া কেবল একটি অভ্যাস নয়, বরং রাসুল (সা.)-এর অনুসরণ হিসেবে সওয়াবের কাজও বটে।

চুলের যত্ন নেওয়া কেবল সাজসজ্জার অংশ নয়, বরং এটি মহান আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতের কদর করা এবং সুন্নাহর অনুসরণ। একজন মুমিনের চুল হবে পরিষ্কার, মার্জিত এবং সুবিন্যস্ত। অতিমাত্রায় কৃত্রিম সাজসজ্জা এড়িয়ে স্বাভাবিক উপায়ে চুলের যত্ন নেওয়াই ইসলামের শিক্ষা।

তথ্যসূত্র: সুনানে আবু দাউদ; শামায়েলে তিরমিজি; সুনানে নাসাঈ; সহিহ বুখারি

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..