✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

তাহাজ্জুদ অবস্থায় সুবহে সাদিক হয়ে গেলে করণীয় কী?

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-১৬, | ১৮:২৭:৩৫ |
তাহাজ্জুদ নামাজের নির্দিষ্ট সময় হলো রাতের শেষ প্রহর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত। মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের এই শ্রেষ্ঠ সময়ে অনেক মুসল্লি গভীর মগ্নতায় নামাজ আদায় করেন। তবে কখনো কখনো সময়ের হিসাব রাখতে না পারায় নামাজ চলাকালেই ফজরের আজান হয়ে যায় বা সুবহে সাদিক উদিত হয়।

ইসলামি ফিকহ বা আইনশাস্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী, যদি কেউ সুবহে সাদিকের আগে অর্থাৎ তাহাজ্জুদের ওয়াক্ত থাকাবস্থায় নফল বা তাহাজ্জুদ নামাজ শুরু করেন এবং নামাজ শেষ করার আগেই ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যায়, তবে সেই নামাজ বাতিল হবে না। এটি নফল হিসেবেই গণ্য হবে এবং এর সওয়াব আমলনামায় যুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।

অনেকে মনে করেন, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পর যেহেতু কেবল ফজরের সুন্নত ছাড়া অন্য নফল নামাজ পড়া নিষেধ, তাই হয়তো এই নামাজটি মাকরূহ হবে। কিন্তু শরিয়ত বলছে ভিন্ন কথা। যেহেতু নামাজটি বৈধ সময়ে শুরু করা হয়েছে, তাই মাঝপথে ওয়াক্ত শেষ হয়ে গেলেও তা মাকরূহ বা অপছন্দনীয় হবে না।

বিখ্যাত ফাতাওয়া গ্রন্থ ফাতাওয়া হিন্দিয়া (১/৫২), রদ্দুল মুহতার (১/৩৭৪) এবং আলবাহরুর রায়েক (১/২৫৩)-এ এই মাসআলাটি স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। আল্লামা যয়লায়ী (রহ.) তার বিখ্যাত গ্রন্থ তাবয়ীনুল হাকায়েক (১/২৩৪)-এ উল্লেখ করেছেন যে, সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে শুরু করা নফল ইবাদত পণ্ড হয় না। সুতরাং সালাম ফেরানোর পর যদি দেখেন সুবহে সাদিক হয়ে গেছে, তবে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।

ইবাদতের ক্ষেত্রে আল্লাহর রহমত অত্যন্ত প্রশস্ত। কেউ যদি সাধ্যমতো চেষ্টা করার পর নামাজের শেষাংশে সময়ের পরিবর্তন দেখে, তবে শরিয়ত তাকে ছাড় দিয়েছে। তবে সচেতন মুমিন হিসেবে আমাদের উচিত সময়ের দিকে খেয়াল রাখা, যেন তাহাজ্জুদ শেষ করে ফজরের সুন্নতের জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া যায়।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..