✕

সর্বশেষ :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৩ অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সাক্ষাৎ ধানমন্ডিতে ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক, দাঁড়িয়ে থাকা এএসআই প্রত্যাহার উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে আন্দোলনে অচল ক্যাম্পাস—চুয়েটে যা ঘটল রিমান্ড শেষে আয়াস-রিমি কারাগারে সেই দেয়ালে এবার বেগম রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ দাশের প্রতিকৃতি সিসামুক্ত দেশ গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান স্কুলের অফিস কক্ষে শিক্ষক দম্পতির মারামারি, নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা কয়রার অসুস্থ মা ও শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ডা. জুবাইদা রহমান যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এখন আমাদের বাড়তি সহায়তা পাওয়া উচিত: অর্থমন্ত্রী নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের পুরোনো চিঠি

যুক্তরাষ্ট্রে আটক দুই নারী আমাদের আত্মীয় নন, দাবি সুলেইমানির কন্যাদের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৪-০৫, | ১১:৫৪:৩৩ |
ইরানের সাবেক শীর্ষ জেনারেল কাসেম সুলেইমানির পরিবারের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে আটক দুই ইরানি নারীর কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন সুলেইমানির দুই কন্যা। সম্প্রতি মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট আটক ওই নারীদের সুলেইমানির ভাতিজি এবং নাতনি হিসেবে শনাক্ত করার পর এই প্রতিবাদ এলো।

ইরানের বার্তা সংস্থা ফারস-এ শেয়ার করা এক পোস্টে সুলেইমানির কন্যা জয়নাব সুলেইমানি বলেন, ‘মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের সাথে আমাদের পরিবারের কোনো যোগাযোগ বা সম্পর্ক নেই।’

একইভাবে সুলেইমানির আরেক কন্যা নারগিস সুলেইমানি ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে জানান, ‘আজ পর্যন্ত শহীদ সুলেইমানির পরিবারের কোনো সদস্য বা কোনো আত্মীয় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেননি।’

এর আগে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছিল, হামিদেহ সুলেইমানি আফসার (যাকে সুলেইমানির ভাতিজি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে) এবং তার কন্যা বর্তমানে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)-এর হেফাজতে রয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) বাতিল করেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হামিদেহ সুলেইমানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইরান সরকারের জোরালো সমর্থক ছিলেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার ঘটনায় আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন। এছাড়া তার স্বামীকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সুলেইমানি। এরপর থেকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়, যার প্রভাব এখনও বিদ্যমান। আটক দুই নারীকে নিয়ে এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য সেই উত্তজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল।

সূত্র- আল জাজিরা

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..