✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

সেই গুঁতোর ২০ বছর পরও কথা হয়নি জিদান-মাতেরাজ্জির

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২৯, | ১৯:২২:১৭ |
জিনেদিন জিদান ও মার্কো মাতেরাজ্জি-ফুটবল ইতিহাসের আলোচিত সেই মুহূর্তের পর কেটে গেছে প্রায় দুই দশক। ২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই ‘হেডবাট’ ঘটনার পর আজ পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে কোনো কথা বলেননি তাঁরা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাতেরাজ্জি নিজেই জানিয়েছেন এই তথ্য। তাঁর ভাষায়, ‘এই গ্রীষ্মে ২০ বছর হয়ে যাবে জিদানের সেই হেডবাটের। কিন্তু এখনো আমাদের মধ্যে কোনো কথা হয়নি। আমার কোনো আক্ষেপও নেই।’



২০০৬ সালে জার্মানির বার্লিনে বিশ্বকাপ ফাইনালে দেখা হয়েছিল ফ্রান্স ও ইতালি। ম্যাচটি টাইব্রেকারে জিতে শিরোপা ঘরে তোলে ইতালি। তবে শিরোপার চেয়ে বেশি আলোচিত হয়ে ওঠে ম্যাচের শেষদিকে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনা-মাতেরাজ্জির বুকে মাথা দিয়ে আঘাত করেন জিদান। ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় ফরাসি কিংবদন্তিকে।

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়কর ও স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে এখনো সেই ঘটনাটি আলোচিত। কিন্তু ঘটনাটি নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কখনো আলোচনা হয়নি দুজনের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে কখনো কথাও হয়নি।

মাতেরাজ্জি বলেন, ‘আমি কি জিদানের সঙ্গে কথা বলেছি? এখনো না। আমার জন্য এটা কোনো সমস্যা নয়। ফুটবলে ৯০ মিনিটের মধ্যে আপনি দলের জন্য সবকিছু করতে পারেন। কিন্তু রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর পর আমার কাছে সব শেষ।’

সে ঘটনা মনে রাখেননি মাতেরাজ্জি। বলেছেন জিদানের প্রতি সম্মানের কথাও, ‘ম্যাচ শেষ হওয়ার এক মিনিট পরই আমার কাছে বিষয়টি শেষ হয়ে গিয়েছিল। জানি না জিদানের কাছে কেমন ছিল। তবে তার প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা আছে। রিয়াল মাদ্রিদে কোচ হিসেবেও সে অনেক চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছে। সে আমার কাছে একজন কিংবদন্তি।’

ঘটনার পেছনের কারণ নিয়েও কথা বলেছেন মাতেরাজ্জি। তিনি স্বীকার করেন, জিদানকে উসকানি দিতে গিয়ে তিনি তার বোন সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর ভাষায়, ‘সে আমাকে তার জার্সি দিতে চেয়েছিল। আমি বলেছিলাম, ‘না, আমি তোমার বোনকে পছন্দ করি।’

এই বর্ণনা জিদানের আগের বক্তব্যের সঙ্গেও মিলে যায়। জিদান একসময় বলেছিলেন, মাতেরাজ্জি তাঁর বোনকে অপমান করেছিলেন, যা তাঁকে উত্তেজিত করে তোলে। পরে নিজের আচরণের জন্য দুঃখও প্রকাশ করেন ফরাসি তারকা।

ক্যারিয়ারে ফিফা বিশ্বকাপ ২০০৬ ফাইনালের সেই লাল কার্ডের ঘটনা জিদানের উজ্জ্বল সাফল্যকেও আড়াল করে দেয়। ১৯৯৮ বিশ্বকাপ ও ইউরো জয়ের পাশাপাশি খেলোয়াড় ও কোচ-দুই ভূমিকাতেই অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন তিনি।

মাতেরাজ্জিও ইতালির হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি ক্লাব ফুটবলে ইন্টার মিলানের হয়ে একাধিক সিরি আ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ফুটবল ইতিহাসের সেই মুহূর্ত এখনো অমলিন। আর জিদান ও মাতেরাজ্জি নীরবতাও যেন সেই স্মৃতিকে আরও রহস্যময় করে রেখেছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..