✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

এখন বুঝি, সেই সময়গুলো কত মূল্যবান ছিল: শেহতাজ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-২১, | ১৭:৫৫:৩১ |
‘২০২২ সালে বাবাকে হারিয়েছি। তাঁর মৃত্যুর দেড় বছর পর মাকেও হারিয়েছি। ঈদের আনন্দ যেন এখন আমার কাছে অন্যরকম হয়ে গেছে। ছোটবেলায় ঈদ মানেই ছিল নতুন জামা পরে বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়ানো। বাবা বলতেন, আমার মেয়েটাকে কী সুন্দর লাগছে! এই কথাগুলো এখন শুধু স্মৃতি। ভাবলেই খুব কষ্ট হয়।’ খানিকটা কষ্ট নিয়েই কথাগুলো বলছিলেন মডেল-অভিনেত্রী শাহতাজ মুনিরা হাশেম।

তিনি দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মায়ের কথা মনে পড়লে আরও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি। আমার মা খুব বেশি রান্না করতেন না। ঈদের দিন নিজে হাতে আমাদের জন্য রান্না করতেন চটপটি, সেমাই। মায়ের হাতের সেই স্বাদ আজ কোথাও পাই না।’



শাহতাজ বলেন, ‘ঈদের সকালে বাবার সঙ্গে নামাজে যাওয়া, ফিরে এসে মায়ের রান্না খাওয়া এই ছোট মুহূর্তগুলোই ছিল সবচেয়ে বড় আনন্দ। এখন বুঝি, সেই সময়গুলো কত মূল্যবান ছিল। তখন হয়তো এতটা উপলব্ধি করিনি।’

বর্তমানের ঈদের আনন্দের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন আমরা অন্যভাবে ঈদ উদযাপনের চেষ্টা করি। নিজের জন্য তেমন কেনাকাটা করি না। বরং যারা ভালো পোশাক কিনতে পারে না, তাদের জন্য কিনি। আমি আর আমার স্বামী চাই, তারা যেন আমাদের মতোই ভালো মানের পোশাক পায়। তাদের মুখের হাসিটাই এখন আমাদের ঈদের সবচেয়ে বড় আনন্দ। উৎসবের সংজ্ঞাটাও বদলে যায়।

তার কথায়, ‘এখন ঈদ মানে শুধু নিজের আনন্দ নয়, অন্যের মুখে হাসি ফোটানো। এতে একটা শান্তি পাই, মনে হয় বাবা-মাও হয়তো খুশি হতেন।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..