সর্বশেষ :
একসঙ্গে প্রেমিক-প্রেমিকার বিষপান, প্রেমিকার মৃত্যু ইসরায়েলের ওপর বেজায় চটেছেন ব্রিটিশ এমপিরা! ২য় দফার আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলে থাকছেন না ভ্যান্স: ট্রাম্প সেনা ও যুদ্ধবিমান মোতায়েনে সম্মত ভারত-রাশিয়া শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শত্রুর মোকাবিলা করবে সেনাবাহিনী: সেনাপ্রধান ইরানের হাতে যুদ্ধবিমান ধ্বংস, খবর শুনেই কয়েক ঘণ্টা চিৎকার করেছিলেন ট্রাম্প! ‘আর ভদ্রলোক থাকব না’, ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের দেশব্যাপী হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে সোমবার ‘খারাপ লাগার অনুভূতি ক্যামেরার সামনে প্রকাশ করতে চাই না’ ইমেজ সেন্সর তৈরিতে সনিকে ৩৮ কোটি ডলার দিচ্ছে জাপান সরকার

স্বাধীনতা পদক পাচ্ছেন বাকৃবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এম এ রহিম

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০৩-০৫, | ২৩:৪১:০৯ |
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরষ্কার স্বাধীনতা পদক-২০২৬ এর জন্য মনোনীত হয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. এম এ রহিম। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্যাটাগরিতে তাকে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবির সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অধ্যাপক ড. এম এ রহিম বাকৃবির কৃষি অনুষদের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ১৯৮২ সালে ওই বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকতা শুরু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাউ-জার্মপ্লাজম সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ও প্রধান গবেষক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৩, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১২, ২০১৩, ২০১৪ ও ২০১৬ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উইন্সকন্সিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে (USA) ভিজিটিং প্রফেসর ও বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকানসিনের অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি হিসেবে গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।

অধ্যাপক ড. এম এ রহিমের নেতৃত্বে গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত হয় উচ্চফলনশীল ও অর্থকরী কুলের জাত ‘বাউকুল’, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আপেল কুল নামেও পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টারের গবেষণায় প্রায় ১৭ বছরের প্রচেষ্টায় এ জাতটি উদ্ভাবিত হয়।

কৃষি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘হুজ হু বাংলাদেশ ২০১৭’ পদক লাভ করেন। বৃক্ষরোপণে অবদানের জন্য ২০০৪, ২০১২ ও ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া তিনি নোবেল বিজয়ী ড. নরম্যান ই. বোরলগ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্মাননা-২০০৮, বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক-২০১৪, খান বাহাদুর আহসান উল্লাহ স্বর্ণপদক-২০১৬, বাংলাদেশ একাডেমি অব এগ্রিকালচার স্বর্ণপদক-২০১৬ এবং বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্স স্বর্ণপদক-২০১২ সহ দেশ ও বিদেশের নানা সম্মাননা অর্জন করেছেন।

গবেষণায়ও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য অবদান। ফল উৎপাদন, কৃষি বনায়ন, ফল সংগ্রহ ও সংগ্রহোত্তর পরিচর্যা এবং সংরক্ষণ বিষয়ে তার প্রায় ২২৫টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..