✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

রাজধানীতে অপহৃত কিশোর উদ্ধারের ঘটনায় ৪ অপহরণকারী গ্রেপ্তার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-২৬, | ২২:৩৬:৫৮ |
ধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি হস্তক্ষেপে অপহরণের শিকার এক স্কুলছাত্রকে উদ্ধারের ঘটনায় চার অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম এ তথ্য জানান।

গ্রেপ্তাররা হলেন– তানভীর আহমেদ ওরফে ফাহিম (২৩), ইশরাক ইয়ামিন লিখন (২০), হাসান আল বান্না ওরফে হাসলাম (২১) ও মোস্তাফিজ রহমান পুঞ্জ (২২)।

পুলিশ জানায়, তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা খন্দকার শামীমের একমাত্র ছেলে আরফান সাঈদকে অপহরণের ঘটনায় এই চক্রটি জড়িত। ডিসি মাসুদ আলম বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উঠতি বয়সী তরুণদের মাদক ও নারীদের ফাঁদে ফেলে অপহরণ করে আসছিল। একইভাবে সাঈদকেও অপহরণ করে খিলগাঁওয়ের চামেলিবাগ এলাকায় নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

ছেলের অপহরণের ঘটনায় হতবিহ্বল বাবা মন্ত্রণালয়ে ছোটাছুটি করার সময় প্রধানমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে বিষয়টি তার নজরে আনেন। প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ বিষয়টি শুনে রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।


উদ্ধার অভিযানের বর্ণনা দিয়ে ডিসি মাসুদ বলেন, অপহরণকারীরা চামেলিবাগ এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে কিশোরটিকে জিম্মি করে রেখেছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করা হলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা ভুক্তভোগীকে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেয়ে দ্রুততম সময়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা গেলেও জড়িতদের বিষয়ে কোনো তথ্য ছিল না। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তির সহায়তায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত ১০ থেকে ১২ জনের একটি দুর্ধর্ষ চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা তরুণদের অপহরণ করে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ আদায় করত এবং নির্যাতন চালাত। গ্রেপ্তারকৃতদের মোবাইল ফোনে নির্যাতনের বেশ কিছু ভিডিও পাওয়া গেছে।

এই ঘটনায় রমনা থানায় নিয়মিত আইনে মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও একজনকে খুঁজতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..