সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, অনৈতিক চর্চা পরিহার করে সামগ্রিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং নির্মাণকাজে অপচয় রোধে সচেষ্ট থাকতে হবে। বর্তমান সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অপচয় রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আজ সোমবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ৪৪তম বিসিএস (সড়ক ও জনপথ) ক্যাডারে যোগদান করা ৩২ কর্মকর্তার জন্য আয়োজিত সাত দিনব্যাপী ইনডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের এসব কথা বলেন তিনি। পরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।
সড়ক ও সেতু মন্ত্রী নবযোগদান করা কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, প্রশিক্ষণ শেষে নবীন কর্মকর্তারা পুরোদমে কাজে যুক্ত হবেন। রাষ্ট্র তাদের প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তুলেছে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে—এই উপলব্ধি সব সময় ধারণ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘নিজেদের রাষ্ট্রের স্বার্থে সর্বদা নিবেদিত রাখা সহজ নয়; নানা প্রতিবন্ধকতা থাকে। তবে তরুণ কর্মকর্তাদের উপলব্ধি থাকা দরকার যে, তারা চাইলে অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারেন।’
রাষ্ট্রের অর্থ মানে জনগণের অর্থ, তা যথাযথভাবে ব্যবহার করার নির্দেশনা দিয়ে সড়কমন্ত্রী আরো বলেন, অনৈতিক চর্চা পরিহার করে সামগ্রিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং নির্মাণকাজে অপচয় রোধে সচেষ্ট থাকতে হবে। বর্তমান সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অপচয় রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এ ক্ষেত্রে নবীন কর্মকর্তাদের আন্তরিকতা ও সততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র ও সরকারের প্রত্যাশা পূরণে নতুন উদ্যোগ গ্রহণ এবং উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে। সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনই একজন প্রকৃত কর্মকর্তার পরিচয়।’
প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আগামীর বাংলাদেশ সবাইকে মিলেই গড়তে হবে। নবীন কর্মকর্তারাই আগামীর ভবিষ্যতের কাণ্ডারি।
এ জাতীয় আরো খবর..