আইয়ামে বিজের রোজা কি? এর ফজিলত সম্পর্কে হাদিসে যা এসেছে

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০২-০৯, | ১৯:২৪:৫৪ |
আরবি ‘আইয়ামে বিজ’ অর্থ উজ্জ্বল বা শুভ্র দিবস। প্রতি মাসের এই দিনগুলোয় চাঁদ পূর্ণিমার পূর্ণ আলো দেয়। যার কারণে এই দিনগুলোকে আইয়ামে বিজ নামে অবহিত করা হয়। মূলত, হিজরি মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখই আইয়ামে বিজ বা উজ্জ্বল দিবস।

পবিত্র কুরআনে এই দিবসগুলো নিয়ে নির্দিষ্টভাবে কোনো নির্দেশনা না আসলেও রাসুল (সা.) বিভিন্ন সময়ে বর্ণিত হাদিসে এই দিনগুলোয় রোজা রাখার তাগিদ দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে রমজানের প্রস্তুতির মাস শাবানের মধ্যভাগে আইয়ামে বিজ অন্তর্ভুক্ত থাকায় এই সময়ে তিনটি নফল রোজার গুরুত্বও অনেক।

সাধারণত, ফজিলতপূর্ণ ও রমজানের প্রস্তুতির মাস হওয়ায় শাবান মাসে নবীজি (সা.) বেশি বেশি রোজা রাখতেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) শাবান মাসের চেয়ে বেশি (নফল) সাওম (রোজা) কোনো মাসে পালন করতেন না। তিনি প্রায় পুরা শাবান মাসই সাওম পালন করতেন এবং বলতেন, তোমাদের সাধ্যে যতটুকু কুলোয় ততটুকু (নফল) আমল করো। কারণ, তোমরা (আমল করতে করতে) ক্লান্ত হয়ে না পড়া পর্যন্ত আল্লাহ তা’য়ালা (সওয়াব দান) বন্ধ করেন না। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৮৪৬)

এ ক্ষেত্রে শাবান মাসে আইয়ামে বিজের তিনটি রোজা রাখলে অধিক সওয়াব পাওয়া যায়। কারণ, মহান রাব্বুল আলামিন প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব ১০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। এই হিসেবে আইয়ামে বিজে তিনটি নফল রোজা রাখলে এর সওয়াব ৩০টির সমান হয়ে যায়।

পবিত্র কুরআনে খোদ মহান আল্লাহ তা’আলা ঘোষণা দিয়েছেন, ‘যে ব্যক্তি সৎকর্ম করবে, তার জন্য আছে ১০ গুণ পুরস্কার, আর যে ব্যক্তি অসৎকাজ করবে, তাকে শুধু কৃতকর্মের সমপরিমাণ প্রতিফল দেয়া হবে, তাদের ওপর অত্যাচার করা হবে না’ (সুরা আন-আম, আয়াত: ১৬০)

অন্যদিকে হাদিসে আইয়ামে বিজ বা প্রতি মাসে ৩ দিন করে রোজা রাখার বিশেষ ফজিলতের কথাও এসেছে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমার বন্ধু (নবীজি সা.) আমাকে তিনটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন- প্রতি মাসে তিন দিন (আইয়ামে বিজ) করে সাওম (রোজা) পালন করা এবং দু’রাকাত সালাতুয-যুহা (চাশতের নামাজ) এবং ঘুমানোর আগে বিতর সালাত (নামাজ) আদায় করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৮৫৭)


অন্যদিকে আবু কাতাদা (রা.) থেকে বর্ণিত আরেকটি হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রতি মাসে তিন দিন সাওম (রোজা) পালন করা এবং রমজান মাসের সাওম, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান পর্যন্ত সারা বছর সাওম পালনের সমান। আর আরাফাত দিবসের সাওম সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহের ক্ষতিপূরণ হয়ে যাবে। এছাড়া আশুরা’র সাওম সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তাতে পূর্ববর্তী বছরের গুনাহসমূহের কাফফারা হয়ে যাবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬১৭)

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...