✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

অসীম অন্ততের একা গ্রহ!

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৬-০১-০৫, | ১৮:৩১:৫৮ |
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন,
একা আমি ফিরব না আর
              এমন করে-
       নিজের মনে কোণে কোণে
              মোহের ঘোরে।
কবির কবিতার মতোই আমাদের বিশাল মহাকাশে একা একা ঘুরে বেড়ানো এক ‘ভবঘুরে’ গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।  ব্রিটিশ পত্রিকা ইন্ডিপেনডেন্ট তাদের এক প্রতিবেদনে লিখেছে, মহাকাশের অন্ধকারে গ্রহটি সম্পূর্ণ একা ভেসে বেড়াচ্ছে । তাদের মতে, গ্রহটি বৃহস্পতির ভরের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ ও আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে প্রায় তিন হাজার পারসেক দূরে অবস্থিত। বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নাল ‘সায়েন্স’  গবেষণাটি প্রকশিত হয়। 
যেসব গ্রহ মহাকাশে স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ায় তাদেরকে ভবঘুরে গ্রহ বলে। এদের নিজস্ব কোনো অভিভাবক  তারা নেই।  গবেষকরা বলছেন, গ্রহটির ভর দেখে মনে হচ্ছে সম্ভবত কোনো এক গ্রহ ব্যবস্থার মধ্যেই তৈরি হয়েছিল এই গ্রহ, যেখান থেকে গ্রহটি পরবর্তীতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
মাইক্রো-লেন্সিং’ নামের এক ঘটনার মাধ্যমে গ্রহটির সন্ধান পান বিজ্ঞানীরা। যখন কোনো বস্তুর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এর পেছনের কোনো তারা থেকে আসা আলোকে বড় করে দেখায় তখন এমন ঘটনা ঘটে। প্রভাবটি পৃথিবী ও মহাকাশ উভয় জায়গার টেলিস্কোপ থেকে দেখা গেছে।  ফলে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান তুলনা করে গ্রহটির ভর বের করতে পেরেছেন।

ভবঘুরে গ্রহগুলো বিজ্ঞানীদের কাছে অনেক বেশি রহস্যময়। কারণ এগুলো অন্যান্য সাধারণ গ্রহের তুলনায় অনেক কম উজ্জ্বল। ২০০০ সালে প্রথম ‘ভবঘুরে’ গ্রহের সংকেত পান জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এরপর ২০২৪ সালে দূরবর্তী এক তারার আলোতে বিকৃতি দেখতে পান তারা। এ ঘটনাটি একইসঙ্গে পৃথিবী ও মহাকাশ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এজন্য ব্যবহৃত হয়েছিল ভূ-পৃষ্ঠের বেশ কিছু মানমন্দির ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত ‘গাইয়া’ স্পেস টেলিস্কোপ।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, যখন কোনো গ্রহমণ্ডলে বড় ধরনের মহাকর্ষীয় পরিবর্তন ঘটে, যেমন পাশের অন্য কোনো গ্রহের সঙ্গে সংঘর্ষ বা অস্থির তারার প্রভাব তখন এ ধরনের কম ভরের ভবঘুরে বিভিন্ন গ্রহ মহাকাশে ছিটকে পড়ে।

নতুন আবিষ্কৃত এ গ্রহটি এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া অল্প কয়েকটি ভবঘুরে গ্রহের মধ্যে একটি। ধারণা করা হচ্ছে, সামনের বছরগুলোতে এ ধরনের গ্রহ খুঁজে পাওয়ার সংখ্যা আরও বাড়বে, বিশেষ করে নাসার ‘ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস’ নামের টেলিস্কোপ মহাকাশে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে এমনটি সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..