✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

এন-বক্সের ইভি সংস্করণ আনছে হোন্ডা

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-১২-২২, | ১২:১৭:২৬ |
জাপানের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া মিনি গাড়ি এন-বক্সের একটি বিদ্যুচ্চালিত সংস্করণ আনার পরিকল্পনা করছে হোন্ডা মোটর। ২০২৭ অর্থবছর নাগাদ মডেলটি বাজারে আসতে পারে। জাপানে ইভির গ্রহণযোগ্যতা তুলনামূলক ধীর হলেও এ উদ্যোগ সে গতি কিছুটা বাড়াতে পারে বলে অভিমত সংশ্লিষ্টদের।


কেই শ্রেণীর মিনি গাড়ি হিসেবে ২০১১ সালে এন-বক্স বাজারে আনে হোন্ডা। গত বছর এ মডেলের দুই লাখের বেশি গাড়ি বিক্রি হয়েছে, যা টয়োটা করোলাকেও ছাড়িয়ে গেছে। টানা তৃতীয় বছর এটি জাপানের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া মডেলের অবস্থান ধরে রেখেছে।


ভেতরে প্রশস্ত জায়গা ও তুলনামূলক কম দামের কারণে এন-বক্স ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। গাড়িটির প্রারম্ভিক মূল্য প্রায় ১৭ লাখ ইয়েন বা ১১ হাজার ডলারের সমপরিমাণ। এক যুগের বেশি সময়ে মডেলটির সম্মিলিত বিক্রি প্রায় ৩০ লাখ ইউনিটে পৌঁছেছে।

ইভি সংস্করণের এন-বক্সের রেঞ্জ ও দাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। হোন্ডা একই সঙ্গে পেট্রলচালিত মূল সংস্করণের বিক্রি চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করছে।

মিনি গাড়ি বা কেই কার জাপানের একটি বিশেষ মানদণ্ডের আওতাভুক্ত। এ গাড়ির প্রস্থ সর্বোচ্চ ১ দশমিক ৪৮ মিটার, দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৪ মিটার এবং উচ্চতা দুই মিটারের বেশি হতে পারে না।

জাপানে ইভি সংস্করণে মিনি কেনার সময় সরকারি ভর্তুকি পাওয়া যায়। সাধারণত বড় গাড়ির তুলনায় যেকোনো মিনি গাড়িতে কম কর দিতে হয়।

জাপানে নতুন গাড়ির বাজারে ইভির হিস্যা এখনো মাত্র প্রায় ২ শতাংশ, যা উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম। তবে ইভি মিনি গাড়ি ধীরে ধীরে বাজার জায়গা করে নিচ্ছে। ২০২৪ সালে নিশান সাকুরা ও মিৎসুবিশি ইকে এক্স দুটি মডেল মিলেই জাপানের মোট ইভি বিক্রির ৪০ শতাংশের বেশি দখল করে।

ইভির সীমিত রেঞ্জ মিনি গাড়ির ক্ষেত্রে বড় সমস্যা নয়। কারণ এ গাড়িগুলো মূলত শহরের ভেতর চলাচলে ব্যবহার হয়।

এদিকে ইভি বাজারে মিনি গাড়ির প্রতিযোগিতা দ্রুত বাড়ছে। চীনের শীর্ষ ইভি নির্মাতা বিওয়াইডি হোন্ডার আগেই আগামী গ্রীষ্মে নতুন মডেল বাজারে আনতে যাচ্ছে। পাশাপাশি সুজুকি মোটরও ২০২৬ অর্থবছর বা তার পরের কোনো সময়ে একটি মিনি গাড়ির ইভি সংস্করণ চালুর পরিকল্পনা করছে। —খবর নিক্কেই এশিয়া

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..