✕

সর্বশেষ :
জার্মানিতে বিপজ্জনক ছায়াযুদ্ধের শঙ্কা রাহুল গান্ধীর আবেদনে ১৪ ত্রুটি ধরল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ-ইউএই যৌথ উদ্যোগে কক্সবাজারে সুপেয় পানি প্রকল্পের প্রস্তাব দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মেহেরপুরে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত পাকিস্তান সিরিজে শ্রীলঙ্কার টেস্ট দল ঘোষণা, অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস আরব আমিরাতে শ্রমবাজার ও নতুন সুযোগের সম্ভাবনা নিয়ে মাহ্দী আমিন-রাষ্ট্রদূতের বৈঠক কুমিল্লায় সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় স্বামী ও স্ত্রী নিহত কাদের মির্জা ও তার স্ত্রী-ছেলের বিরুদ্ধে দুদকের ৩ মামলা অবিবাহিতদের সবচেয়ে বেশি রাগিয়ে দেয় যেসব কথা দুর্গাপূজায় নৌপথে নিরাপত্তায় ১৬ নির্দেশনা

জিম্মিদশা মুক্ত ইসরায়েলি নারীর যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০২-২৬, | ০৯:৫৩:০৩ |

গাজায় ইসরায়েল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ইসরায়েলি এক নারী জিম্মি। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে তিনি তার দুর্দশার কথা বর্ণনা করেন এবং যুদ্ধ বন্ধের আবেদন জানান।

ওই নারী জিম্মির নাম নোয়া আরগামানি। তাকে এবং তার সঙ্গীকে দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি সঙ্গীত উৎসব থেকে হামাস ধরে নিয়ে যায়। এর আট মাস পর গত বছরের জুনে ইসরায়েলি বাহিনী তাকে উদ্ধার করে।

৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালে ইসরায়েলে হামাসের হামলার সময় তাদের আটক করে নিয়ে আসে হামাস।

তবে তার সঙ্গী আভিনাতান ওর, এখনও জিম্মি অবস্থায় আছেন এবং ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ে তাকে মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

গাজায় ১৯ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় প্রথম পর্যায়ের যুদ্ধবিরতি। যা শনিবার শেষ হবে। এরইমধ্যে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে অনেক ইসরায়েলি জিম্মিকে হস্তান্তর করেছে হামাস।

তবে যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে এখনও সমাধানে আসতে পারেননি আলোচকরা। এর আগে ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হলেও বিনিময়ে শত শত ফিলিস্তিনিকে এখনও ছাড়েনি ইসরায়েল। হামাসের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি অভিযোগ এনে তারা তা স্থগিত করে। এদিকে হামাস এখনও কয়েক ডজন জিম্মি ধরে রেখেছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে নোয়া বলেন, আমাকে নিশ্চিত করতে হবে যে বিশ্ব এটি জানছে। তা হলো চুক্তিটি সম্পূর্ণরূপে মেনে চলতে হবে। একে কার্যকর করতে হবে।

এরপর তিনি কীভাবে তাকে জিম্মি করে রাখা একটি বাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তিনি আটকা পড়েছিলেন তা বর্ণনা করেন।

নোয়া বলেন, আমি ভাবতেও পারিনি, সেখান থেকে বেঁচে ফিরতে পারব। আমি নড়াচড়া করতে পারছিলাম না। শ্বাস নিতে পারছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল এটা আমার জীবনের শেষ মুহূর্ত হতে চলেছে। আজ আপনার সঙ্গে এখানে থাকা একটা অলৌকিক ঘটনা।’

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে নোয়া আরগামানি। ছবি: সংগৃহীত

নোয়া জানান, উভয় পক্ষেরই অসংখ্য মানুষ ট্রমাগ্রস্ত হয়েছে। উভয় পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত। উভয়েরই এই বেদনা অনস্বীকার্য। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরপরই গাজায় আমার শেষ সফরে, আমি আবারও চরম ধ্বংসযজ্ঞ দেখেছি। এত ক্ষতি, এত ট্রমা এবং পরিত্যক্ততার অনুভূতি আমাকে হতাশায় ডুবিয়েছে,’ বলেন নোয়া।

এদিকে জাতিসংঘের মধ্যপ্রাচ্য দূত সিগ্রিড কাগ, যিনি গাজায় জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ মানবিক ও পুনর্গঠন সমন্বয়কারী হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন যে গাজায় পুনরায় শত্রুতা শুরু হওয়া যেকোনো মূল্যে এড়াতে হবে। সূত্র: রয়টার্স

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..