✕

সর্বশেষ :
পশ্চিম তীরে জলপাই সংগ্রহে বাধা, আটক ফিলিস্তিনি নারীরা খুলনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি পেলেন ১৪৯ পুলিশ সদস্য হুতির হামলায় অস্থির সৌদি, একের পর এক ভুলের খেসারত দিচ্ছে রিয়াদ সৌরবিদ্যুতে ইউনিট প্রতি সাশ্রয় হবে ৫-৬ টাকা নতুন ঋণচুক্তির বিষয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ চার বছরে তাপপ্রবাহে ইউরোপে ২ লাখের বেশি মৃত্যু, সতর্ক করল ডব্লিউএইচও বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে কোভিড আমলের ঝুঁকিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক সমুদ্রের তলদেশে বিশ্বের প্রথম বায়ুবিদ্যুৎচালিত ডেটাসেন্টার চালু করল চীন

দুই বাংলাদেশী জিতলেন মাইক্রোসফট রিসার্চ ডেসার্টেশন গ্র্যান্ট পুরস্কার

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২০-০৭-১০, | ১১:৩৩:০৩ |

বাংলাদেশের দু’জন পিএইচডি গবেষক চলতি বছরের মাইক্রোসফট রিসার্চ ডেসার্টেশন গ্র্যান্ট পুরস্কার জিতেছেন। প্রতিবছর উত্তর আমেরিকায় কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডিরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সমাজের সব অংশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে এ পুরস্কার প্রদান করে থাকে মাইক্রোসফট।

বাংলাদেশি পুরস্কার বিজয়ী দুই গবেষক হলেন- আন্না ফারিহা এবং ফারাহ দীবা। তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ এ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করার জন্য উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবার ২৩০ শিক্ষার্থী আবেদন করেন। সেই শিক্ষার্থীদের গবেষণা পরিকল্পনার বৈজ্ঞানিক ও পদ্ধতিগত সম্ভাব্যতা এবং সমাজের পরিবর্তনে প্রকল্পের সম্ভাব্য প্রভাব যাচাই-বাছাই করে প্রকল্পগুলো থেকে দশ জনকে তাদের গবেষণা প্রকল্পের জন্য ২৫ হাজার ডলারের এ পুরস্কারের জন্য বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস, অ্যামার্স্টে কম্পিউটার সায়েন্সে পিএইচডি গবেষণারত বাংলাদেশি আনা ফারিহার গবেষণা প্রকল্প (Enhancing Usability and Explainability of Data Systems)-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- এক্সপার্ট এবং নন-এক্সপার্ট ব্যবহারকারীদের মধ্যে কম্পিউটার ডেটা সিস্টেম ব্যবহারের ফারাক কমিয়ে আনা। এ লক্ষ্যে তিনি নন-এক্সপার্ট ব্যবহারকারীদের সহজেই কম্পিউটার প্রোগ্রামিং টুলগুলো ব্যবহারের ব্যবস্থা গড়ে তুলে ডেটা সিস্টেমে নন-এক্সপার্ট ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

ইউনিভার্সিটি অব ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় বর্তমানে পিএইচডি গবেষণারত বাংলাদেশি অপর বিজয়ী ফারাহ দীবার (Placenta: Towards an Objective Pregnancy Screening System) গবেষণা প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন সাধন করা। এ লক্ষ্যে তিনি কোয়ান্টিটিভ আল্ট্রাসাউন্ড (ছটঝ) ব্যবহার করে একটি স্ক্রিনিং পদ্ধতি চালু করার প্রস্তাব করেন, যা গর্ভাবস্থায় প্রাথমিকভাবে সেন্টায় কোন প্রকার অস্বাভাবিকতা চিহ্নিত করে এ ব্যাপারে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ করে দিবে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..