সর্বশেষ :
ব্রুকের সেঞ্চুরি, পাকিস্তানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ভালোবেসে ৭০ বছরের বৃদ্ধকে বিয়ে করলেন ২২ বছরের তরুণী (দেখুন ভিডিও) রমজানে দুবাইয়ে ভিক্ষুকদের বিরুদ্ধে হচ্ছে অভিযান বাতিল করা প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যাবে ইশতেহার বাস্তবায়নে পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখতে হবে : দুর্যোগমন্ত্রী ধর্মমন্ত্রীর সঙ্গে আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ যে কারণে শেরপুরে গণভোট হবে না তারেক রহমানকে সভাপতি করে একনেকসহ ৩ কমিটি পুনর্গঠন ফ্যামিলি কার্ডের নামে কেউ টাকা চাইলে পুলিশে দিন : সমাজকল্যাণমন্ত্রী প্রেসসচিব পেলেন রাষ্ট্রপতি, ফের দায়িত্বে সরওয়ার আলম

আয়নাঘরে বন্ধুকে কীভাবে হত্যা করা হয়, জানালেন ফারুকী

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০২-১২, | ০৯:০২:৪৯ |

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন ঢাকা মহানগর ৩৮ (বর্তমান ২৫) নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম সুমন। এর পর আর খোঁজ মেলেনি তার। তার গুম হওয়া এবং ‘আয়নাঘর’ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি বিএনপি নেতা সাজেদুলকে আয়নাঘরে কিভাবে হত্যা করা হয় তার বর্ণনা দিয়েছেন।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমকর্মী ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে আয়নাঘর পরিদর্শনে যান। ঢাকার কচুক্ষেতে ডিজিএফআই এবং উত্তরা ও আগারগাঁওয়ে র‍্যাবের আয়নাঘর পরিদর্শন করেন তারা।

একই দিন ফেসবুকে ফারুকী লিখেছেন, ‘এ রকমই কোনো একটা ঘরে হয়তো আমার বাল্যবন্ধু সাজেদুল ইসলাম সুমনকে আটকে রাখা হয়েছিল। এ রকমই কোনো একটা ঘরে অজানা আশঙ্কায় সে কেঁপে কেঁপে উঠতেছিল।’

গুমের শিকার বন্ধু সাজেদুল ইসলাম সুমনকে স্মরণ করে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা।

তিনি আরও লেখেন, ‘এই রকম একটা ঘরে বসেই হয়তো সে আল্লাহর দরবারে হাত তুলে কাঁদতে কাঁদতে বলছিল- আল্লাহ, তুমি আমারে এই বারের জন্য বাঁচাইয়া দাও। আমি আর রাজনীতি টাজনীতি করব না। আমার সন্তানের জন্য আমারে বাঁচাইয়া দাও। আমার মায়ের জন্য আমারে বাঁচাইয়া দাও।’

তিনি লিখেছেন, ‘এ রকমই একেকটা ঘরে আমরা সতেরো কোটি মানুষ আটকা ছিলাম ষোলো বছর। আর গোপনে বলতাম, আল্লাহ এই ডাইনির হাত থেকে আমাদের বাঁচাইয়া দাও।’

ফারুকী লেখেন, ‘সুমনের সঙ্গে আমার শেষ কথা হয় উত্তরার এক হাসপাতালে লুকাইয়া থাকা অবস্থায়। ওর ভাগনে আবরারের একটা শুট ছিল আমার সঙ্গে। স্পষ্ট মনে আছে ওর শেষ কথা, ‘দোস্ত, আবরাররে তুই ইজি কইরা নিস। নাইলে অ্যাকটিং খারাপ করব’।’

সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা লেখেন, ‘এমনই এক জালিমের শাসনে ছিলাম যে তোর জন্য, সুমন, একটা কথাও বলতে পারি নাই। পরে জানলাম মানুষরূপী জানোয়ার জিয়াউল আহসানের নির্দেশে তোরে ইনজেকশন দিয়ে মেরে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেয়। যে বাবার ঘরে ফিরে সন্তানের সঙ্গে ভাত খাওয়ার কথা ছিল তাকে এই ডাইনির দল শীতলক্ষ্যার মাছেদের খাবারে পরিণত করে।’

তিনি লেখেন, ‘এই হায়েনাদের হয়ে যখন কেউ কথা বলতে আসে, আমার মাথায় রক্ত উঠে যায়। আমি আমার কমপোজার লুজ করি।’

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..