✕

সর্বশেষ :
হরমুজে ইরানের নতুন চাল, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো সুপ্রিম কোর্টের ছুটির সংস্কৃতি বিচার ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে : অ্যাটর্নি জেনারেল পাবনায় হাসপাতালে প্রসবের পর দুই নবজাতকের মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে শিল্পীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : সংস্কৃতিমন্ত্রী বিনিয়োগ ও ব্লু ইকোনমি নিয়ে নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা: মাহ্দী আমিন আন্দোলনের মাঝেই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল দিল্লি পুলিশ হুতিদের হামলায় আতঙ্কিত সৌদি যুবরাজ, বাংকারে আশ্রয়ের খবর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় আসামির যাবজ্জীবন অনিয়মিত অভিবাসন রোধে একযোগে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ ও ইইউ তাজমিনের পোশাক ও মোবাইল পরীক্ষার জন্য যাচ্ছে সিআইডিতে

সৌদির ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতায় বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০৪-০৬, | ১০:০৪:৩১ |

হজ মৌসুমকে সামনে রেখে ১৩টি দেশের ওপর সাময়িকভাবে ভিসা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সৌদি আরব। এই নিষেধাজ্ঞা ওমরা, ব্যবসা এবং পারিবারিক ভিসার ওপর প্রযোজ্য হবে। কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞা আগামী জুনের মাঝামাঝি সময়ে প্রত্যাহার করা হতে পারে। খবর এআরওয়াই নিউজের।

সৌদি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, যাঁরা ইতোমধ্যে ওমরা ভিসা পেয়েছেন, তাঁরা ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবেন।

যেসব দেশ এই ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, নাইজেরিয়া, জর্ডান, আলজেরিয়া, সুদান, ইথিওপিয়া, তিউনিসিয়া ও ইয়েমেন।

সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের মূল কারণ হলো অবৈধভাবে হজ পালন এবং ভিসার শর্ত লঙ্ঘন। অতীতে অনেক ভ্রমণকারী একাধিক এন্ট্রি ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশ করে হজ মৌসুমে অবৈধভাবে থেকে গিয়ে হজ পালন করেছেন, যা অতিরিক্ত ভিড় এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেছে।

এ ছাড়া, কিছু ভ্রমণকারী ব্যবসা ও পারিবারিক ভিসা ব্যবহার করে সৌদি আরবে অবৈধভাবে কাজ করেছেন, যা দেশটির শ্রমবাজারে বিঘ্ন ঘটাচ্ছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই সাময়িক ভিসা নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনা ও হজ মৌসুমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।

কর্তৃপক্ষ আরও সতর্ক করে বলেছে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন কেউ যদি অবৈধভাবে অবস্থান করেন, তাহলে পরবর্তীতে পাঁচ বছরের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে।

এই সিদ্ধান্ত সৌদি আরবের কড়া ইমিগ্রেশন নীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার মাধ্যমে হজ ও ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..