গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরু রবিবার থেকে, আশা ব্লিংকেনের

  • নিউজ ডেস্ক

    প্রকাশ :- ২০২৫-০১-১৭, | ১০:২৮:৩১ |

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন আশা প্রকাশ করে বলেছেন, আমি বিশ্বাস করছি, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি চুক্তির বাস্তবায়ন রবিবার (১৯ জানুয়ারি) নির্ধারিত সময়ে শুরু হবে। আর এর মধ্য দিয়ে ১৫ মাস ধরে চলা লড়াই-এর অবসান হবে। খবর, এফপি,রয়টার্সের। খবর, এফপি,রয়টার্সের।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনে আমেরিকার শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে তার বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ব্লিংকেন।

বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামাসের বিরুদ্ধে চুক্তির বিষয়ে পিছু হটার অভিযোগ আনার পর, কিছু সময়ের জন্য যুদ্ধবিরতির শুরু ও প্রথম কয়েকজন জিম্মির মুক্তির বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

নেতানিয়াহুর দফতর থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, হামাস “শেষ মুহূর্তে নানা ছাড় আদায়ের” চেষ্টা করছে। জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে খুনের দায়ে বন্দী কোন ফিলিস্তিনির মুক্তির ব্যাপারে ইসরায়েলের ভিটো দেয়ার ক্ষমতা থাকবে বলে যে সমঝোতা হয়েছিল, নেতানিয়াহুর দফতর হামাসের বিরুদ্ধে সেখান থেকে সড়ে আসার অভিযোগ আনে।

নেতানিয়াহু বলেন, হামাস, যাদের যুক্তরাষ্ট্র একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে, সব কিছু মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তাঁর মন্ত্রিসভা চুক্তিতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেয়ার জন্য বৈঠকে বসবে না।

যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা মাত্র কয়েকদিন দূরে থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় কয়েক দফা হামলা চালায়। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মীরা জানায়, যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঘোষণার পর হামলায় ভূমধ্যসাগরের তীরে এই সরু ভূখণ্ডে অন্তত ৮১ জন নিহত হয়েছে।

জাতিসংঘের এজেন্সিগুলো বলছে, যদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, তাহলে তারা গাজায় ফিলিস্তিনিদের জন্য ব্যাপক মানবিক ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রস্তুত। জাতিসংঘ বলছে, গাজার ২৩ লক্ষ বাসিন্দার অন্তত ১৯ লক্ষ বাস্তচ্যুত হয়েছে এবং ৯২ শতাংশ বসতবাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সরকারের ভেতরে যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো বক্তব্য এসেছে অর্থমন্ত্রী বেযালেল স্মটরিচের কাছ থেকে যিনি এটাকে “ইসরায়েল রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি খারাপ এবং বিপজনক চুক্তি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিন পর্বের চুক্তি: চুক্তির প্রথম পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত আছে ৪২-দিনের যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে ৩৩জন জিম্মির মুক্তি, ইসরায়েল থেকে ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তি, গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক মানুষের জন্য মানবিক ত্রাণ সরবরাহ ত্বরান্বিত করা।

প্রথম পর্যায়ের সময় দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিস্তারিত নিয়ে আলোচনা হবে যার লক্ষ্য হবে লড়াই-এর স্থায়ী অবসান ঘটানো, বাকি সকল জিম্মিদের মুক্তি এবং ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার।

চূড়ান্ত পর্যায়ের বিষয় হবে গাজার প্রশাসন এবং নিরাপত্তা কাঠামোসহ ধ্বংসপ্রাপ্ত ভূখণ্ডের পুনর্নির্মাণ।

গাজা যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর, যখন হামাস যোদ্ধারা সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলে আক্রমণ চালিয়ে, ইসরায়েলের হিসেব মতে, প্রায় ১,২০০জন হত্যা এবং ২৫০জনকে জিম্মি করে। ধারণা করা হচ্ছে, ১০০’র কিছু কম জিম্মি এখনো হামাসের হাতে রয়েছে, কিন্তু তাদের এক-তৃতীয়াংশ মারা গেছে বলে বিশ্বাস করা হয়।

গাজার কর্তৃপক্ষ বলেছে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৪৭,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশির ভাগ নারী ও শিশু। ইসরায়েল কোন প্রমাণ ছাড়াই বলছে, মৃতের সংখ্যায় ১৭,০০০ জঙ্গি রয়েছে।

শেয়ার করুন



এ জাতীয় আরো খবর..

Dhaka Forecast & Prayer Schedule

--°C
Loading...
💧 Humidity
--%
🌬 Wind
-- km/h

3-Day Forecast

Prayer Time

🕌 Fajr 🕌 Dhuhr
-- --
🕌 Asr 🕌 Maghrib
-- --
🕌 Isha
--
Loading countdown…
দেশ ও মুদ্রা ১ ইউনিট = টাকা পরিবর্তন
⏳ Currency data loading...